বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন প্রবাসীরা।তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে শক্তিশালি ভিত গড়তে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।প্রবাসী আয়ে রীতিমতো ঝলক দেখাচ্ছে বাংলাদেশ।চলতি ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনেই দেশে ২ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সবশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ২১ দিনে বৈধপথে ২০০ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।যা দেশীয় মুদ্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে)। সে হিসেবে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলার বা এক হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।
রেমিট্যান্সের এ ধারা অব্যাহত থাকলে ডিসেম্বরে দেশের প্রবাসী আয় রেকর্ড তিন বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি হবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডিসেম্বরের মাসের প্রথম ২১ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৬১ কোটি ৩১ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৭ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩১ কোটি ১৬ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার।
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার প্রবাসী আয় এসেছে।তার পরের মাস আগস্টে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, অক্টোবরে ২৪০ কোটি (২ দশমিক ৪০ বিলিয়ন) ডলার এবং নভেম্বরে এসেছে ২২০ কোটি (২ দশমিক ২০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার।
Read_more
- ‘ছদ্মবেশে’ বাজার পরিদর্শনে উপদেষ্টা আসিফ
- প্রবাসী আয়ে গতি, রিজার্ভে ইতিবাচক পরিবর্তন
- ৯ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
- খালেদা জিয়ার বিদেশ সফর পেছানো নিয়ে নানা গুঞ্জন!
- ইসলাম-বৌদ্ধ-হিন্দু-খ্রিষ্টান, সবাই মিলে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: সেনাপ্রধান
- এখন জনগণের প্রত্যাশা ও করণীয়
- প্রতি কনসার্টে কত টাকা পারিশ্রমিক নেন আতিফ আসলাম
- নভেম্বরে এলো ২৬ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
- ‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান : রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন
- আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া ৭৫ বাংলাদেশির ২৪ জন দেশে ফিরছেন আজ
- রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মমতার বক্তব্য সঠিক পদক্ষেপ নয়
- ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
- পাকিস্তানের কাছ থেকে ২৫ হাজার টন চিনি কিনল বাংলাদেশ
- বাংলাদেশে নয়, ভারতেই শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো উচিত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- বাংলাদেশি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরলো ত্রিপুরার হোটেল মালিকরা
- ভারতের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশের ১৪৫ নাগরিকের বিবৃতি
- বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে আরএসএসের কর্মসূচি ঘোষণা
- বৈশ্বিক মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কত টাকা পেল রংপুর রাইডার্স
- ভারতকে পছন্দ করেন ৫৩.৬ শতাংশ, অপছন্দ করেন ৪১.৩ শতাংশ বাংলাদেশি
- ভারতের সঙ্গে আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি নয়, বললেন সাবেক সেনা সদস্যরা
- ভারতকে কাঁদিয়ে যুব এশিয়া কাপের শিরোপা বাংলাদেশের
- পদ্মায় বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক চলছে
- সাবেক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল সম্পদেও ‘লাল’
- আগামীকাল শুরু হচ্ছে অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ
- ‘নরম-গরমে’ কড়া ঢাকা
- অন্য দেশ থেকে আলু-পেঁয়াজ কেনার কথা ভাবছে বাংলাদেশ, চিন্তায় ভারত
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক সংলাপ বুধবার
- ক্ষমা পাওয়া আরো ২৭ জন আমিরাত থেকে দেশে ফিরেছেন
- বাংলাদেশ সীমান্তে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট মোতায়েন করছে ভারত
- কোম্পানি বিক্রির পর কর্মীদের ২৬২ কোটি টাকা বোনাস দিলেন বাংলাদেশি
- এশিয়া কাপজয়ী তামিমের ফিফটি, ব্যর্থ তামিম ইকবাল
- আশুলিয়ায় ১৩ পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা
- বিয়ের ১২ বছর পূর্তিতে সাকিবকে নিয়ে শিশিরের আবেগঘন বার্তা
- হালাল পণ্যের বাজার বাড়াতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া
- চাঁদা না দিয়েও ভোটার, ডিএফএ নিয়ে বাফুফের ভজকট
- টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
- লেবানন থেকে ফিরলেন আরও ৮৫ বাংলাদেশি
- কারা নির্যাতিত বিডিআর পরিবারের ৮ দাবি
- কলকাতায় বিজয় দিবস উদযাপনে যোগ দিতে পারে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তবে নিষিদ্ধ হচ্ছে সাকিবের বোলিং?
- মালয়েশিয়ায় পোশাক কারখানা থেকে ৩৫ বাংলাদেশি আটক
- শেখ হাসিনাকে আশ্রয় কেন, প্রশ্ন উঠছে ভারতে
- ভারতে মুসলিমরা আর সংখ্যালঘু থাকব না, সংখ্যাগুরু হব: কলকাতা মেয়র
- ‘বাংলাদেশ থেকে ওষুধ আমদানিতে আগ্রহী পাকিস্তান’
- বেশি বেশি রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা
- এবার টি-টোয়েন্টি দলে ডাক পেলেন নাহিদ রানা
- ৫৭ হাজার কোটা ফাঁকা রেখে শেষ হলো হজ নিবন্ধন
- যুব এশিয়া কাপজয়ীদের তামিমের মূল্যবান উপহার
- মোদির দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানালেন আসিফ নজরুল
- ছেলেদের মতো মেয়েরাও বিজয় দিবস রাঙিয়েছে জয়ে
- বাংলাদেশ ‘ইন্টারনেট ট্রানজিট’ না দিলে ভারতের সেভেন সিস্টার্স কি সমস্যায় পড়বে?
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের স্বাধীনতা পদকের আবেদন
- নাসার প্রধান মহাকাশচারীর বাংলাদেশ সফর সমাপ্ত
- পূর্ব তিমুরে ২০০-৩০০ বাংলাদেশির বসবাস
- এডিপির সঙ্গে ৬০ কোটি ডলার ঋণ চুক্তি
- আর কোনো ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় বসাবেন না : ফয়জুল করিম
- অবৈধ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে দিল্লির সব স্কুলে নির্দেশনা জারি
- আর্থিক খাতের শৃঙ্খলাসহ অর্থনীতিতে ৫ চ্যালেঞ্জ : ড. হোসেন জিল্লুর
- হাসিনা পালিয়ে দিল্লিতে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তলানিতে
- রেমিট্যান্সের জোয়ারে রিজার্ভ ছাড়াল ২০ বিলিয়ন ডলার
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের ভাতা বৃদ্ধির জন্য কমিটি
- নতুন ট্রেনে ৪৪৫ টাকায় ঢাকা থেকে খুলনা ও বেনাপোল
- সাবিনাদের শিরোপা, বাফুফে নির্বাচন ছাপিয়ে লাল-সবুজের হামজা
- বিএসএফের বিরুদ্ধে ১৩ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
- কমিশন চেয়ারম্যানের পদত্যাগ চাইলেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা
- সেরা দশে মেহেদি, ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে তাসকিন-রিশাদ
- লটারিতে পাঁচ তারকা হোটেলের মালিক হলেন প্রবাসী জাহেদুল
- স্বৈরশাসক হাসিনাকে হটানোর পর গণতন্ত্র পুনঃনির্মাণে শিক্ষার্থীরা
- সচিবালয়ে আগুন : হুঁশিয়ারি সারজিস আলমের
- বাংলাদেশ-পাকিস্তানের বাণিজ্যে বইছে সুবাতাস, বেড়েছে আমদানি-রপ্তানি
- তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব, সতর্ক অবস্থানে যৌথ বাহিনী
- সে ‘দূরত্ব’ আর ঘোচাতে চাইলেন না তামিম, কেন?
- দেশে প্রথমবারের মতো ৫ জনের শরীরে রিওভাইরাস শনাক্ত
- দেশে এইচএমপি ভাইরাস শনাক্ত
- ১১ দিনে এলো ৮৯৮৬ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
- এস আলম পরিবারের ৬৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, সম্পদ জব্দের আদেশ
মন্তব্য / প্রেরক
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম গতিশীল করতে ১২ দফা নির্দেশনা
-
স্টাফ রিপোর্টার, কবির হোসেন শান্ত
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আত্মসাৎকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ ১২ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. এ কে এম জাহাঙ্গীর। সম্প্রতি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এমন নির্দেশনা দেন। সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমা বানু, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. গোলাম মর্তুজা, মহাব্যবস্থাপক এ বি এম জাহিদ হোসেন, মো. আলা উদ্দিন এবং সঞ্চয় ও ঋণ বিতরণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকতা রুহুল আমীন উপস্থিত ছিলেন। সভায় মহাব্যবস্থাপক মো. আলা উদ্দিন ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সভার নির্দেশনাগুলো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকের কাছে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম আরো গতিশীল এবং সুশৃঙ্খল করতে ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বৈঠকে একগুচ্ছ কঠোর ও গুরুত্বপূর্ণ
নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আঞ্চলিক কার্যালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি
শাখার কার্যক্রমের মনিটরিং জোরদার করতে জেলা বা আঞ্চলিক কার্যালয়ের জনবল বাড়াতে হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য আঞ্চলিক প্রশিক্ষক ও নির্দিষ্ট মডিউল তৈরি করে দ্রুত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করার
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শৃঙ্খলা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যেকোনো ধরনের অসততা ও অসদুপায় থেকে বিরত রাখতে দ্রুত নির্দেশনা প্রদান এবং সামাজিক
আমার বাড়ি আমার খামার
যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সরকারি নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার কথা বলা হয়েছে।
ঋণ মনিটরিং ও জুম মিটিং
শ্রেণিকৃত ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঋণ কমাতে মনিটরিং ও সুপারভিশন জোরদার করতে হবে। সরেজমিন পরিদর্শনের পাশাপাশি নিয়মিত জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে শাখা পর্যায়ে প্রয়োজনীয়
দিকনির্দেশনা দিতে হবে।
আইনগত ব্যবস্থা ও পুনর্গঠন
অনাদায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবসমূহ চিহ্নিত করে ব্যাংকের প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করে পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন, অবলোপন, মৃত্যুঝুঁকি আচ্ছাদন তহবিল ও মুনাফা মওকুফসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও মূল্যায়ন
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রতিটি শাখার বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রাকে মাসভিত্তিক ভাগ করে দিতে হবে এবং মাঠ সহকারীদের মধ্যে তা বণ্টন করতে হবে। মাঠকর্মী লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হলে তা পরবর্তী মাসের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে এবং
এক্ষেত্রে শাখা ও জেলা কার্যালয়কে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
আত্মসাৎ রোধে কঠোর পদক্ষেপ
অভ্যাসগত অর্থ আত্মসাৎকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বছরভিত্তিক আত্মসাতের তথ্য, শ্রেণিকৃত ঋণের তথ্য ও সার্টিফিকেট মামলার তথ্য পর্ষদ সভায় উপস্থাপন করতে হবে। আত্মসাৎকারীদের প্রতি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করে বিশেষ সার্কুলার জারি করতে হবে।
সঠিক প্রতিবেদন দাখিল
দে বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঠভিত্তিক পরিদর্শন সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় মূল্যায়ন প্রতিবেদন দাখিল বন্ধ করে বাস্তব ও সঠিক তথ্যের মাধ্যমে মাঠের প্রকৃত চিত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন
নিশ্চিত করতে হবে।
ঋণ বিতরণ ও অডিট প্রক্রিয়া
ঋণ বিতরণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে লিজেন্ড ও লোন ট্র্যাকিং সিস্টেমের সঠিক মনিটরিং এবং স্পেশালাইজড অডিট জোরদার করতে হবে। ঋণ বিতরণ, পুনর্গঠন, অবলোপন, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং অভ্যন্তরীণ অডিটের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা, সুশাসন ও যথাযথ নীতিমালা অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।
তথ্য সুরক্ষা ও এমআইএস
প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যাদির গোপনীয়তা রক্ষা, দৈনিক খাতের তথ্য এবং ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) সঠিক পরিচালনা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমা বানু আমার দেশকে বলেন, পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের নির্দেশনার আলোকে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মন্তব্য / প্রেরক
টানা ৭ দিন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু
-
হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ
হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শ্বারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৭ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার পর আজ থেকে আবারও আমদানি রপ্তানি শুরু হয়েছে। আমদানি রপ্তানি শুরু হয় বন্দরে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য। আসতে শুরু করেছে দূর দূরান্ত থেকে পাইকার পত্ররা।
আজ শনিবার বেলা ১২ টায় হিলি সীমান্ত দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করাই শুরু হয়েছে আমদানি রপ্তানি বানিজ্য।
হিলি আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী বলেন, হিন্দু ধর্মালম্বীদের শ্বারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে হিলিস্থলবন্দর দিয়ে ১৭ অক্টোবর ( শনিবার) থেকে ২৩ অক্টোবর শুক্রবার পর্যন্ত টানা ৭ দিন আমদানি রপ্তানি বন্ধ ছিল। আজ (শনিবার) থেকে যথারীতি নিয়ম অনুযায়ী আমদানি রপ্তানি চালু হয়েছে।
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ওসি মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দু-দেশের মাঝে পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল ।
মন্তব্য / প্রেরক
অর্থনৈতিক সংস্কারে নিজস্ব পরিকল্পনা তুলে ধরছে বাংলাদেশ, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান আইএমএফ–বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় অংশ নিতে ব্যাংককে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল
-
অনলাইন ডেস্ক:
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণকে গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে নিজস্ব সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরছে বাংলাদেশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভাকে কেন্দ্র করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল এ সভায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিনিধি দলে অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
নিজস্ব বাস্তবতার ভিত্তিতে সংস্কার পরিকল্পনা
অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও নীতিগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সংস্কার পরিকল্পনা তুলে ধরবে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংস্কারের বিভিন্ন বিষয়ে নীতিগত সমন্বয়ের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।
সংস্কার আলোচনায় ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য
সরকারের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার পরিকল্পনায় বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালু করা, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান ব্যয় মোকাবিলার বিষয়ও রয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরানোর পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এসব পরিকল্পনার সুফল নির্ভর করবে বাস্তবায়নের অগ্রগতি, বিনিয়োগকারীদের আস্থা, আর্থিক খাতের সুশাসন এবং ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের ওপর।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা
অর্থনৈতিক সংস্কারের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতির চাপ কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন সহজ করা এবং জ্বালানি ব্যয়ের চাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন অর্থনীতিসংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দেশের অর্থনীতিতে সহায়ক হতে পারে। তবে ঋণ ও সংস্কারসংক্রান্ত শর্তের পাশাপাশি দেশের স্বার্থ, আর্থিক সক্ষমতা এবং সামাজিক সুরক্ষার বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
ঢাকামোড়২৪.কম-এর পর্যবেক্ষণ: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য শুধু আন্তর্জাতিক অর্থায়ন নয়, বরং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাংকক বৈঠকের আলোচনাগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন দেখার বিষয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদন।
মন্তব্য / প্রেরক
ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, আর্থিক সংকট কাটাতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের তাগিদ
-
ডিজিটাল ডেস্ক :
দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং কাঠামোগত সংস্কারের জন্য আগামী পাঁচ থেকে আট বছর জাতীয় বাজেট থেকে বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।
শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) আয়োজিত বাংলা কিউআর লেনদেনের প্রচার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। খবর জাগো নিউজের।
গভর্নরের বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক অনিয়মের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যাংক খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ বেরিয়ে যাওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তাঁর মতে, এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হলে সামাজিক সহায়তা ও বড় অবকাঠামো উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।
অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়তে পারে?
ব্যাংক খাতের আর্থিক দুর্বলতা দীর্ঘস্থায়ী হলে ঋণ বিতরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি কঠিন হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।
অন্যদিকে, ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বিপুল সরকারি অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হলে জাতীয় বাজেটের অন্যান্য খাতের ব্যয় পরিকল্পনার ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে। তাই আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, খেলাপি ঋণ আদায় এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রয়োজন জবাবদিহি ও কার্যকর সংস্কার
বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে, ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শুধু সরকারি অর্থের জোগান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সুশাসন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাও জরুরি।
সব মিলিয়ে, ব্যাংক খাতের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার উদ্যোগ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রস্তাবিত অর্থের প্রয়োজনীয়তা, অর্থায়নের উৎস এবং পুনর্গঠনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হলে এ উদ্যোগের সম্ভাব্য প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে।
সূত্র: জাগো নিউজ, ১০ অক্টোবর ২০২৬।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ