Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

কারা নির্যাতিত বিডিআর পরিবারের ৮ দাবি

কারা নির্যাতিত বিডিআর পরিবারের ৮ দাবি

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিবর্তন করে আগের নাম বাংলাদেশ রাইফেলস পুনঃস্থাপনসহ আট দাবি জানিয়েছেন কারা নির্যাতিত বিডিআর পরিবারের সন্তানেরা।

শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরা হয়।

বিডিআর কল্যাণ পরিষদের সহযোগিতায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ৮ দফা দাবি তুলে ধরেন বিডিআর সন্তান মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, বিডিআর নাম পুনঃস্থাপন, স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার প্রহসনমূলক সব মামলা ও রায় বাতিল করতে হবে। ১৬ বছর যাবৎ কারাগারে থাকা নির্দোষ সব বিডিআর সদস্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। হাইকোর্টের রিট অনুযায়ী, দ্রুত পুনঃতদন্ত শুরু করতে হবে। নিরীহ বিডিআরদের রিমান্ডে নির্যাতনের ফলে মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটন করে দোষীদের শাস্তি প্রদান করতে হবে। সব বিডিআর সদস্যদের (আনুমানিক ১৮,৫২০ জন) চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে।শহিদ সেনা ও বিডিআর এবং ক্ষতিগ্রস্ত সব বিডিআর পরিবারকে ক্ষতিপূরণসহ (বেতন, ভাতা ও পেনশন) পুনর্বাসন করতে হবে। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারিকে শহিদ সেনা দিবস ঘোষণা করতে হবে।


উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর)। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে এর নাম হয় ‘বাংলাদেশ রাইফেলস’ (বিডিআর)। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। ২০১১ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ’ (বিজিবি)।

 

মন্তব্য / প্রেরক

কুমিল্লা দক্ষিণের আলোকিত মুখ মোঃ ইসহাক মৃধা

কুমিল্লা দক্ষিণের আলোকিত মুখ মোঃ ইসহাক মৃধা
ফটো: প্রতিনিধি


বাংলাদেশের জনগণ বর্তমানে নানানমুখি সংকটের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন।

সরকারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছে সংকটের উত্তরণের নানা উপায় এবং কৌশল। এমন এক সাক্ষাৎকার কুমিল্লার," দক্ষিণ লাকসাম মনোহরগঞ্জ বাসিন্দা মোঃ ইসহাক মৃধা নামক এক তরুণ সমাজসেবক এর সন্ধান বের করে। ইসহাক মৃধা বর্তমানে সর্বত্র ঢাকা ও কুমিলার কল্যাণমুখী কর্মকান্ডের জোয়ার বাইছে। মাটি ও মানুষের সাথে মিশে গিয়ে দক্ষিণ কুমিল্লার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দুস্থ, অসহায় মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসায় বন্ধু ও স্বজন শিষ্টাচারের উজ্জ্বলতম আদবের একজন ব্যক্তি হিসেবে স্বয়ংক্রিয় কর্মস্থলেও তিনি সফলতা প্রমাণ দিয়েছেন।

ইসহাক মৃধা বর্তমানে বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

তিনি এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরসহ স্কুল, কলেজ প্রতিষ্ঠায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করছেন। এছাড়াও ঢাকা শহরের বিভিন্ন এতিম, দুস্থ, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের কাছে সহযোগিতার বাড়িয়ে দেন তিনি সবসময়। গরিব এতিম ও অসহায় মানুষের সাথে সুখে দুঃখে সব সময় তিনি পাশে থাকেন বলে এলাকার গরিব দুঃখীর কাছে তিনি একজন দানবীর হিসেবে পরিচিত।
দেশবাসী সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইসহাক মৃধা এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুর ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন।

বিরামপুর ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন।
মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুল, সাবেক চেয়ারম্যান

মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুল চেয়ারম্যান

তারিখ: ১৫/০৩/২০২৬
বরাবর
মাননীয় সংসদ সদস্য
দিনাজপুর–৬
বিষয়: বিরামপুর ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য আবেদন।
মাননীয় মহোদয়,
সবিনয় নিবেদন এই যে, দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং চিকিৎসা সেবার অভাবের কারণে এলাকার মানুষ অনেক কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করছে।
৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের প্রধান সমস্যা সমূহ:
1️ অনেক গ্রামের রাস্তা এখনো কাঁচা বা ভাঙা, বর্ষাকালে মানুষের চলাচল খুব কষ্টকর হয়।
2️ অনেক এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির সময় পানি জমে যায় এবং জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
3️ কিছু এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব রয়েছে, অনেক টিউবওয়েলে পানি পাওয়া যায় না।
4️ ইউনিয়নে ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই, অসুস্থ রোগীদের দূরে হাসপাতালে যেতে হয়।
5️ বেকারত্ব একটি বড় সমস্যা, অনেক যুবক কাজের অভাবে অন্য জায়গায় যেতে বাধ্য হয়।
6️ কিছু এলাকায় মাদক সমস্যা দেখা যায়, যা যুব সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
7️ কৃষকদের জন্য সেচ, সার ও কৃষি সহায়তা সবসময় সহজে পাওয়া যায় না।
8️ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ও অবকাঠামো দুর্বল, শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রয়োজন।
9️ বাজার ও ব্যবসার সুযোগ কম, ফলে স্থানীয় অর্থনীতি খুব বেশি উন্নত নয়।
এই সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করলে পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের মানুষের জীবনযাত্রা অনেক উন্নত হবে।
অতএব, মাননীয় মহোদয়ের নিকট আমাদের বিনীত আবেদন এই যে, উপরোক্ত সমস্যাগুলো বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।
বিনীত নিবেদক
বিরামপুর ৭নং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নবাসীর পক্ষে
মোস্তাফিজুর রহমান ফিজুল (বি.এ)
সাবেক ৭ নং পলিপ্রয়াগপুর ইউপি চেয়ারম্যান
বিরামপুর, দিনাজপুর।
 
-মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নহে।।

মন্তব্য / প্রেরক

মানিক মিয়া এভিনিউয়ে শহিদ ওসমান হাদীর জানাজায় লাখো মানুষের সমাগম

মানিক মিয়া এভিনিউয়ে শহিদ ওসমান হাদীর জানাজায় লাখো মানুষের সমাগম
শহিদ ওসমান হাদীর জানাজায় লাখো মানুষের সমাগম

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে আজ অনুষ্ঠিত হলো জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ ওসমান হাদীর জানাজা। এতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো মানুষ অংশ নেন। জানাজাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক ও শ্রদ্ধার মহাসমুদ্রে।
ওসমান হাদী ছিলেন জুলাই আন্দোলনের একজন সাহসী সংগঠক ও মুখপাত্র। তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। রাজনৈতিক সচেতনতা, স্পষ্ট বক্তব্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই তিনি সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
গত ১২ ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদী। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকরা গত ১৮ ডিসেম্বর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর খবরে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।
আজ জানাজা শেষে শহিদ ওসমান হাদীর মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর কবরের পাশে দাফন করা হয়। দাফন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আন্দোলনের সহযোদ্ধা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনেকে বলেন, শহিদ ওসমান হাদীর আত্মত্যাগ ও আদর্শ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অনুপ্রাণিত করবে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন সাহসী কণ্ঠ ও প্রতিবাদী নেতাকে হারাল—এই শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার না।

মন্তব্য / প্রেরক

আমার ৭১’র দিনগুলি

আমার ৭১’র দিনগুলি
ফটো : সংগৃহিত

সেদিন ছিল ১৯৭১ সালের মার্চ এর প্রথম সপ্তাহ। আমি তখন ছয় ক্লাস পেরিয়েছি। আমার কিশোর মনে নানা কৌতুহল, কখনও ভয় কখনও যুদ্ধ বিষয়ে জানার আগ্রহ কাজ করছিল।  
বড়দের দেখে বুঝতে পারছিলাম, চারদিকে আতঙ্কের ঘনঘটা ! সবার মনে কি হবে... কি হবে এক উত্তরহীন প্রশ্ন সর্বদাই উঁকি মারছে! স্বাধীনতা আসবে তো? আমি আমার চৌহদ্দির মধ্যে ঘুরে ঘুরে এই বিষয়গুলো বোঝার চেষ্টা করছি।  
বাবা একজন ব্যবসায়ী ছিলেন এবং স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করেছেন। সে সময় আমাদের পরিবার বিরামপুরে একটি ব্যবসায়ী (ধান-চাল) পরিবার ছিল। পরিবার বড় ছিল, বিধায় বাবা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। ফলে, আমাদের নিয়ে বাবা ভারতে আশ্রয় নিলেন।  
মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ছিলাম বলেই আমাদের বাড়িটি  পাক-হানাদারদের টার্গেট ছিল। তারা আমাদের বাড়িটি পুড়িয়ে দিল। 
ভারতে যাবার পর নানা করুণ কাহিনী দেখতে হযেছে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভারতে যাবার পথে বাবা গরুর গাড়ীতে ১২বস্তা চাউল নিজ গোডাউন থেকে নেন। পথে দেখলাম, হাজার হাজার নারী-পুরুষ, ছেলে-মেয়ে পায়ে হেঁটে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সীমান্তের ওপারে  যাচ্ছে । এখানে না বললেই নয়, পথিমধ্যেই  ১০ বস্তা চাউল কে বা কাহারা নিয়ে গেল। বাবাও দিয়ে দিলেন। আমাদের বললেন ওদেরও তো খেতে হবে। বাকি ২ বস্তা চাউল, কিছু কাপড় চোপড়সহ গোটগাছ গ্রামে আমার নানার বাড়িতে গিয়ে উঠলাম। দু’দিন পর আবারও রওনা দিলাম নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। প্রথমেই পরিবারের সদস্য সহ পায়ে হেঁটে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের কুমার গ্রামে উপস্থিত হলাম। মাইলের পর মাইল হেঁটে প্রায় সবার পা ফুলে এক  কঠিন অবস্থা! কী আর করা। মাস কয়েক কুমার গ্রামে থেকে আমরা আবারও যাত্রা শুরু করলাম আরও ভেতরে ঠাকুরপুরা পেরিয়ে ত্রিমোহনীতে । হিলি-বালুরঘাট রাস্তার পাশে এক কাকা বাবুর বাসা ভাড়া নিয়ে বাবা শুরু করলেন জীবনের আরেক অধ্যায়।  শুরু করলেন ধানের ব্যবসা। কবে শেষ হবে যুদ্ধ, কবে স্বাধীন দেশ পাবো, সেই চিন্তায় সবাই নিমগ্ন।

বাবা ত্রিমোহনীতে ধান কিনে ইসলাম পুরে পাঠাতেন ট্রাক ভরে। মাঝে মাঝে আমি, দুলাভাই ও বড় ভাই সবাই সাথে ট্রাকে করে ইসলামপুরে যেতাম। ইতোমধ্যে যুদ্ধের ঘনঘটা তীব্রতর হয়েছে।  এদিকে, এলাকার অনেকের সাথেই দেখা সাক্ষাৎ হওযা শুরু হলো । একেক  জনের একেক সমস্যা! বাপ-চাচাসহ অনেকেই স্বাধীনতার পক্ষে স্বক্রিয় ছিলেন। বাবা ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। এখানে বলা প্রয়োজন, ত্রিমোহিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত বিমল বাবু, শ্যাম সুন্দর গোস্বামী, তৈলাক্ত কবিরাজ প্রমুখ এদেশ থেকে পাড়ি দেয়া শরণার্থীদের তাদের উদাত্ত সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবিষয়টি কোন দিনই ভুলবার নয়।  ভারতীয় বাহিনীর কর্মকর্তারা আমার বাবা বাবা নিয়ামত আলী মন্ডল,  মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ চাচা, মফিজ ম্যানেজার চাচা, নটু শেখ চাচা, রিয়াজ চাচা, আতাউর চাচা, এ্যাডভোকেট মাওলা বক্শ, এ কে এম শাহজাহান ও গোলজার নানাসহ অনেককেই ডেকে নিয়ে প্রায় সময় তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতেন।  এপার বাংলার বিভিন্ন তথ্য নিতেন যা খান-সেনাদের অবস্থানের স্থানগুলো চিহ্নিত করার জন্য ও যদ্ধের কৌশলের জন্য প্রয়োজনীয় ছিল। এভাবে দিন যায়, মাস যায়--লোকজন আজ ওখানে... তো কাল সেখানে। গোলাগুলি চলছে। রেডিওতে এলান আসে ওমুক জায়গায় এত জন খান সেনা নিহত-আহত, এত জন ধরা পড়ল ইত্যাদি।

ভারত যাবার আগের একটি

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date