Image
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

চাঁদা না দিয়েও ভোটার, ডিএফএ নিয়ে বাফুফের ভজকট

চাঁদা না দিয়েও ভোটার, ডিএফএ নিয়ে বাফুফের ভজকট

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সকল ফেডারেশন তৃণমূল পর্যায়ে জেলা ক্রীড়া সংস্থার অধীনে স্ব স্ব খেলাধুলা পরিচালনা করে আসছে। ২০০৮ সালের বাফুফে নির্বাচনের আগে ফিফার ধুয়া তুলে ফুটবল জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে বের হয়ে আলাদা এসোসিয়েশন করে। সরকারি প্রভাবমুক্ত ও ফুটবলের উন্নয়নের জন্য করা হলেও আদতে এটি নির্বাচনে বাফুফের কতিপয় কর্মকর্তার ‘ভোট ব্যাংক’–এ পরিণত হয়েছে।


বিগত নির্বাচনের মতো সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনেও জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের ভোটাররাই ছিলেন জয়-পরাজয়ের নিয়ন্ত্রক। ২৬ অক্টোবর বাফুফের নির্বাচনে ৬৬ জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি ভোটার ছিলেন। তাদের ভোটে নির্বাচিত বাফুফে কর্তারা গতকাল ২৯ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কমিটিই ভেঙে দিয়েছে।

৯ নভেম্বর বাফুফে নতুন কমিটির প্রথম সভায় রাজবাড়ী জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম দুলালকে ডিএফএ মনিটরিং কমিটির প্রধান করা হয়। তার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই বাফুফে ২৯ ফুটবল এসোসিয়েশনের নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করেছে। দুুলাল এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমাকে ১৫ দিনের মধ্যে ডিএফএ-গুলো নিয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। আমি বাফুফের অফিস স্টাফের (মোজাম্মেল মিঠু) তথ্যমতে মূলত খোঁজ-খবর নিয়ে কাজ করেছি। কতবার লিগ আয়োজন করেছে, জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ সংখ্যা, অ্যাফিলিয়েশন ফি দেয় কি না, অডিট রিপোর্ট ও কর্মকর্তারা সক্রিয় রয়েছেন কি না। এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে আমি একটি প্রতিবেদন দিয়েছি। অনেক সংস্থা অ্যাফিলিয়েশন ফি প্রদান করেনি। সিদ্ধান্ত যা নেওয়ার বাফুফেই নিয়েছে।’


৯ নভেম্বর শুধু ডিএফএ মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যানই মনোনীত হয়েছিলেন দুলাল। পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন হয়নি। ফলে দুলালকে একাই কাজ করতে হয়েছে, ‘আমি কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করেছিলাম। অনুমোদনের বিষয়টি বাফুফের। চেয়েছিলাম সময় নিয়ে বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করার। সেটার সুযোগ না হওয়ায় স্টাফের তথ্য ও আমার যোগাযোগের ভিত্তিতেই একটি রিপোর্ট দাঁড় করিয়েছি।’

জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সঙ্গে বাফুফের পক্ষে যোগাযোগ রাখেন এক্সিকিউটিভ মোজাম্মেল মিঠু। যার ওপর অনেক জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তাদের ক্ষোভ। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় কাউন্সিলরশিপ ফরম প্রদান ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের নির্বাচনেও তার পক্ষপাত আচরণের অভিযোগ অনেক সংগঠকের। সেই মিঠুর তথ্যের ওপর কাজ করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েছেন খোদ ডিএফএ মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান দুলাল, ‘মিঠুর কাছে শরীয়তপুরের লিগ নিয়ে তথ্য ছিল না। তাই শরীয়তপুরকে ধরেই ২৯টি ডিএফএ কমিটি নিয়ে পর্যবেক্ষণ ছিল। শরীয়তপুর জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন লিগ আয়োজন করে এবং অনেক খেলাতেই অংশগ্রহণ করে। ওই জেলার সভাপতি সালাম ভাই নিশ্চিত করার পর আমি শরীয়তপুরকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি মিঠুকে অবহিত করেছি। এ ছাড়া আমার স্ত্রী অসুস্থ থাকায় দ্রুত ফেডারেশন ত্যাগ করি।’


বাফুফে সভাপতির সঙ্গে ডিএফএ মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান-ও সাক্ষাৎ করেছেন। সেই সময় তালিকায় ২৯ থাকলেও পরক্ষণে ২৮ হওয়ায় সভাপতি বিষয়টি ভালোভাবে নেননি। আবার মুন্সিগঞ্জ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের লিগ আয়োজনে অনিয়মিত এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলেও মনিটরিং রিপোর্টে কমিটি বিলুপ্তির সুপারিশ নেই, শুধু লেখা নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ। বিভিন্ন সূত্রের খবর, এই দুই বিষয়ে মূলত সভাপতি নাখোশ হয়ে ডিএফএ মনিটরিং কমিটিই ভেঙে দিয়েছেন। এতে নতুন প্রশ্ন উঠেছে– কমিটি প্রধানের প্রতি আস্থাহীনতা তৈরি হলে তার সুপারিশ কেন গৃহীত হলো?

বাফুফে নির্বাচনের আগে জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের কাউন্সিলর অনিয়ম নিয়ে বেশ সরব ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশন সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান। ২৯ নির্বাচিত ডিএফএ ভাঙা নিয়ে তার বক্তব্য, ‘ডিএফএ অবশ্যই সংস্কার প্রয়োজন। আমরা যারা জেলা নিয়ে কাজ করি তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সুন্দর উপায়ে এটি করা যেত। ঢালাওভাবে ২৯ নির্বাচিত কমিটি ভাঙা কখনোই শোভনীয় বা সঠিক নয়।’ ডিএফএ কমিটি ভাঙার মাধ্যমে তাদের নির্বাচনকালীন অভিযোগই সত্য হলো বলে মনে করেন তিনি, ‘আমরা শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলাম ডিএফএ’র বিষয়গুলো নিয়ে। তৎকালীন কমিটি সেগুলো আমলেই নেয়নি।’

গতকাল সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন ও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের কমিটি বিলুপ্তির বিষয়টি জানিয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা প্রকাশ করেনি। ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জানা গেছে, কয়েকটি বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের পাশাপাশি ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদুপর, শরীয়তপুর, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, নাটোর, জয়পুরহাট, বগুড়া, নওগা, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড়, নোয়াখালী ও ফেনী রয়েছে কমিটি বাতিলের তালিকায়। এর মধ্যে কয়েকটি জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা অত্যন্ত বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাফুফের এই সিদ্ধান্তে। ফেডারেশন থেকে তালিকা প্রকাশ ও চিঠি না পাওয়ায় তারা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি, তবে তাদের প্রায় সবারই মতামতের সারমর্ম, ‘আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত হয়ে এখন আমাদের কমিটিই বাতিল করছে।’

বাফুফের গঠনতন্ত্র অনুসারে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনকে বাৎসরিক একটি চাঁদা পরিশোদ করতে হবে (১০০০ টাকা)। অনেক জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশন সেই চাঁদাই পরিশোধ করেনি। যেকোনো সংগঠনে চাঁদা পরিশোধ না করলে ভোটাধিকার থাকে না। দীর্ঘদিন চাঁদা পরিশোধ না করেও অনেক জেলা-বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশন বাফুফের ভোটার হয়েছে ঠিকই। বাফুফে নির্বাহী কমিটির আদেশে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে সচিবালয়। এ নিয়ে বর্তমান কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তা যারা বিগত কমিটিতে ছিলেন, তারা মুখে কুলুপ এটেছেন। প্রকারান্তে দায় চাপাচ্ছেন সামগ্রিকভাবে নির্বাহী কমিটি এবং বিশেষত সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনের ওপর। কারণ ২০২০-২৪ এই মেয়াদে জেলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও ছিল তার।

গতকাল বাফুফে নির্বাহী সভার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় স্তরের চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের রেলিগেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও দেখা গেছে বিভ্রাট। সভা শেষে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বেশ স্পষ্টভাবেই বলেছিলেন আগামী মৌসুমের বিপিএলে কোনো রেলিগেশন নেই। এর কিছুক্ষণ পর বাফুফের মিডিয়া বিভাগ থেকে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায় ভিন্ন তথ্য, সমাপ্ত হওয়া ২০২৩-২৪ মৌসুমের লিগে রেলিগেশন নেই। লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান বলেন, ‘সদ্য সমাপ্ত লিগের রেলিগেশন শুধু রহিত করা হয়েছে। না হলে মাত্র তিনটি দল থাকে। আগামী মৌসুমে অবশ্যই রেলিগেশন থাকবে।’

বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে রেলিগেশন না থাকা নিয়ে যথেষ্ট আপত্তি করেছিলেন নির্বাহী কমিটির এক সদস্য। পুরান ঢাকার একটি ক্লাব বারবার রেলিগেশনে পড়েও একই স্তরে খেলার সুযোগ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠলে বিগত কমিটির প্রভাবশালী এক নির্বাহী সদস্য উল্টো সেই ক্লাবের পক্ষ নেন। এতে দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও হয়। কালকের সভায় আরেকটি বাহাসে জড়ান অন্য দুই সদস্য। এ নিয়ে কমিটির অনেকেই বিব্রত হয়েছেন। তাই আগামী সভার আগে সদস্যদের আচরণ নিয়ে নির্দেশনা চেয়েছেন কয়েকজন। কালকের সভায় বাফুফের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা বাজেট ও আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে শীর্ষ এক কর্মকর্তার প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন। ফলে আগামী সভায় আবার বাজেটের বিষয়টি আলোচনায় উঠবে।

মন্তব্য / প্রেরক

ইংল্যান্ড বনাম পাঁচবিবি সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের প্রীতি ম্যাচ ৯ জানুয়ারি । পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ইংল্যান্ড বনাম পাঁচবিবি সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের প্রীতি ম্যাচ ৯ জানুয়ারি । পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি


জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের উদ্যোগে ইংল্যান্ডের লন্ডন সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আগামী ৯ জানুয়ারি ২০২৭, শনিবার দুই দলের মধ্যে এ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ আয়োজনকে সফল করতে বুধবার দুপুরে পাঁচবিবি সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের আয়োজনে ফুড সোসাইটি মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সাবেক ফুটবলার ভরত প্রসাদ গোয়ালার সভাপতিত্বে ও মিজানুর রহমান মিজানের  সঞ্চালনায়  সভায় বক্তব্য রাখেন  বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম মন্ডল।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল তরফদার রুকু, পাঁচবিবি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবু হাসনাত মন্ডল হেলাল, পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আহসান হাবিব, এনজিও বন্ধনের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম চৌধুরী বিপ্লব, পাঁচবিবি বণিক সমিতির সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম, সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ সরকার বাপ্পী, সোনালী অতীত ফুটবল ক্লাবের উপদেষ্টা জাহিদুর রহমান অশ্রু এবং সংগঠনের সদস্যসচিব মো. মেহেদী হাসান অর্নবসহ সাবেক ফুটবলার উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় আগামী দিনের এ প্রীতি ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, সুন্দর ও সফলভাবে আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভা শেষে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব আব্দুল হাকিম মন্ডলকে আহ্বায়ক এবং সাবেক ফুটবলার ভরত প্রসাদ গোয়ালাকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে একটি প্রস্তুতিমূলক কমিটি গঠন করা হয়।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, দুই দেশের সাবেক ফুটবলারদের এ মিলনমেলা পাঁচবিবির ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং ফুটবলের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে আদিবাসীদের আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু

বিরামপুরে আদিবাসীদের আন্ত:জেলা ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু
ফটো: প্রতিনিধি

ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুরসহ ৭ জেলার আদিবাসী (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি) খেলোয়াড়দের নিয়ে বিরামপুরে শুরু হয়েছে আদিবাসী ফুটবল টুর্ণামেন্ট।


বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আদিবাসী (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সাঁওতাল)) অধ্যুসিত খানপুর ইউনিয়নের সোনাজুড়ি মাঠে ১৬ দলের এ আস্ত:জেলা ফুঠবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন, দিনাজপুর ধর্মপ্রদেশের ডিডি ডক্টর বিশপ সেবাস্টিয়ান টুডু। এসময় তার সাথে ছিলেন, আয়োজক ফ্রেন্ডশীপ যুব সংগঠণের সভাপতি সামশন হেম্ব্রম, কাউনিয়ার সাব-রেজিষ্ট্রার বার্নার্ড মার্ডী, খাঁনপুর ইউপি চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন পাহান, সাপ্তাহিক বিরামপুর বার্তার সম্পাদক (ভার:) আব্দুল কুদ্দুস, খাঁনপুর ইউনিয়ন পারগানা সামুয়েল মার্ডী, ইউপি সদস্য ফ্লাবিয়াস হেম্ব্রম, শীতলী রাণী পাহান এবং আদিবাসীদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।


দু’দিন ব্যাপী এ টুর্ণামেন্টে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও স্বাগতিক দিনাজপুর জেলার ১৬টি দল অংশ গ্রহণ করছে। প্রথম খেলা টাইব্রেকারের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এতে রাজশাহী এসবি দলকে টাইব্রেকারে পরাজিত করে নবাগঞ্জের ডন বস্কো একাডেমি জয়লাভ করেছে।

মন্তব্য / প্রেরক

দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে মরহুমা জেবুন্নেছা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের

দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে মরহুমা জেবুন্নেছা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের
ফটোঃ প্রতিনিধি

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের মাতা স্মরণে “মরহুমা জেবুন্নেছা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত অধ্যক্ষ মো.বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো তরিকুল ইসলামের উপস্থিতিতে অত্র কলেজের মাঠে বর্ণাঢ্য পরিবেশে এ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাঠে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি এগোভেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনিছুর রহমান আনিছসহ আরো উপস্থিত ছিলেন দাউদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খাইরুল ইসলাম, বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।উদ্বোধনী খেলার ধারাভাষ্যকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. নাহিদ হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করা প্রয়োজন।

বক্তারা আরও বলেন, ফুটবল বাংলাদেশের মানুষের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে খেলাধুলার চর্চা বাড়াতে এ ফুটবল টুর্নামেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী দিনে রোজা ফুটবল একাডেমিকে ০২-০৩ গোলে হারিয়ে ধরঞ্জী খেলোয়াড় কল্যাণ একাদশ বিজয় অর্জন করে। এ খেলায় স্থানীয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

বিরামপুরে সাংবাদিকদের প্রীতি ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার সকল সাংবাদিকদের নিয়ে শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রীতি ফুটবল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মাঠে সকালে ফুটবল খেলার উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. তানজিনা খাতুন এবং দুপুরে খেলা শেষে বিজয়ী ট্রফি এবং সকল খেলোয়াড়কে পুরস্কার প্রদান করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান।


বিরামপুর উপজেলার ৩৫জন সাংবাদিক এবং হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জ থেকে কয়েকজন অতিথি সাংবাদিক দুই দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতার যুদ্ধে নামেন। ফাউল, কর্ণার ও হ্যান্ডবলসহ সব ধরণের নিয়মকে তোয়াক্কার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে খেলোয়াড়গণ বল নিয়ে মাঠ জুড়ে দাপিয়ে বেড়ান। দুর্দান্ত এ খেলায় প্রাণহীন বেরসিক ফুটবলটি ৪ বার ঢুকে পড়ে যমুনা গ্রুপের গোল পোষ্টের ভিতর। আর এতেই বিজয়ী হয় সুরমা দল।  

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date