Image
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, ৮ পরিবারের ওপর হয়রানির অভিযোগ মিথ্যা মামলা, ভয়ভীতি ও দখলচেষ্টার অভিযোগ; প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, ৮ পরিবারের ওপর হয়রানির অভিযোগ মিথ্যা মামলা, ভয়ভীতি ও দখলচেষ্টার অভিযোগ; প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের বিলেরপাড়া-মৌপুকুর এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মকবুল হোসেন ও তার তিন ছেলের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ৮টি পরিবারকে হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবার ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মকবুল হোসেন ও তার ছেলেরা বিভিন্নভাবে প্রতিবেশীদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন এবং প্রতিবাদ করলে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন—জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় একের পর এক অভিযোগ ও মামলা হলেও এর পেছনে কারও প্রভাব বা ‘খুঁটির জোর’ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

আদালতে মামলা

ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য ও আদালতে দায়ের করা মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট ২০২৬ দিনাজপুরের বিরামপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে সি.আর মামলা নং-১৯৫/২৬ দায়ের করেন শাহজাহান আলী। মামলায় মোট ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদী দাবি করেন, মৌপুকুর মৌজার জে.এল. নং-৪০-এর এসএ খতিয়ানের ১২৫ ও ৩৩৬ নম্বর দাগের ১৬২, ১৫১ ও ১৫২ নম্বর দাগে থাকা মোট ২৬ শতাংশ জমি তিনি এসএ রেকর্ডীয় মালিকের কন্যা খোতেজা বেগমের কাছ থেকে ১৪২৮ নম্বর দলিলের মাধ্যমে ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ তারিখে ক্রয় করেছেন।

মামলার আরজিতে আরও বলা হয়, গত ৫ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে আসামিরা ওই জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে নিজেদের মালিকানা দাবি করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ৭ জুলাই বিকেলে বিরামপুর থানায় যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন বাদী।

আসামিপক্ষের দাবি—জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করেই মামলা

মামলার ১ নম্বর আসামি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ফরহাদ হোসেন পলাশ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মকবুল হোসেন তাদের প্রতিবেশী। তার দাবি, মকবুল হোসেন ও তার তিন ছেলে শাহজাহান, সাইফুল ও নাসির দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী ৮টি পরিবারকে উচ্ছেদের জন্য বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন।

ফরহাদ হোসেন পলাশ বলেন, তার পরিবার শতাধিক বছর ধরে যে বসতভিটায় বসবাস করছে, সেটি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি প্রতিবাদ করায় তাকে, তার মা, ছোট ভাই ও জ্যাঠাসহ প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে বলে দাবি করেন।

জমির মালিকানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শাহজাহান আলী যে ১৬২ নম্বর দাগে খোতেজা বেগমের কাছ থেকে ১২ শতাংশ জমি কেনার দাবি করছেন, চলমান মাঠ জরিপে ওই জমি ৫০৪ নম্বর খতিয়ানে রয়েছে। সেখানে মনিরুন নেছা, জোহুরা বেগম ও খোতেজা বেগম—তিন বোনের নামে মোট ১৫ শতাংশ জমি রয়েছে। তার দাবি, তিন বোনের প্রত্যেকের অংশ ৫ শতাংশ করে; ফলে খোতেজা বেগম একাই ১২ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন কি না, সেটি যাচাই করা প্রয়োজন।

বসতভিটা ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে অভিযোগ

মকবুল হোসেনের ছোট ভাই আব্দুল মজিদ অভিযোগ করে বলেন, “মকবুল আমার আপন ভাই। কিন্তু তিনি আমাকে সহ প্রতিবেশী ৮টি পরিবারের বাড়ির জমি দখল এবং চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করে আসছেন।”

মকবুল হোসেনের বাড়ির দক্ষিণ দেয়ালসংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী প্রবাসী মোতালেব হোসেনের স্ত্রী জয়তুন বেগম অভিযোগ করেন, তার ঘরের টিন জোর করে খুলে নেওয়া হয়েছে। পরে মকবুল হোসেন ও তার তিন ছেলে তার বাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করে সেখানে পেঁপে গাছ রোপণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, “ছেলে-মেয়েদের নিয়ে আমি খুব অসহায় অবস্থায় আছি। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে হবে জানি না।”

বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের অভিযোগ

শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিছুর রহমানের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৭০) অভিযোগ করেন, মকবুল হোসেন ও তার ছেলেরা তার রান্নাঘর ভেঙে দিয়েছেন এবং বাঁশঝাড়সহ বিভিন্ন গাছপালা কেটে ফেলেছেন।

বৃদ্ধ আকলিমা বেগম বলেন, “বৃদ্ধ বয়সে আমার রান্নাঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এখন আমি কোথায় রান্না করব, কীভাবে থাকব—তা বুঝতে পারছি না।”

এ সময় উপস্থিত কয়েকজন প্রতিবেশীও মকবুল হোসেন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানান।

মকবুলের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে মামলার বাদী শাহজাহান আলীর সঙ্গে কথা বলতে তার বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার বাবা মকবুল হোসেন বলেন, “আমরা জমি কিনেছি। আসামিদের বলার পরও তারা জমি ছেড়ে দিচ্ছে না। তাই মামলা করেছি। মামলায় যা পাব, সেটাই নেব।”

তিনি তার বিরুদ্ধে আনা অন্যান্য অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

পুলিশের বক্তব্য

বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এরশাদ আলী জানান, গত ৪ জুলাই খানপুর ইউনিয়নের বিলেরপাড়া-মৌপুকুর এলাকার বাসিন্দা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ফরহাদ হোসেন পলাশ বাড়ি জবরদখলের অভিযোগে মকবুল হোসেন ও তার তিন ছেলে শাহজাহান, সাইফুল ও নাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ওই অভিযোগের পর উভয় পক্ষের মধ্যে লিখিত আপসনামার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। আপসনামায় সংশ্লিষ্টরা একে অপরকে হয়রানি বা হেয়প্রতিপন্ন না করা এবং কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা হুমকি না দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করেন।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। কোনো পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো, বসতভিটা দখলের চেষ্টা কিংবা হয়রানিমূলক মামলা করা হলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তাদের দাবি, প্রকৃত মালিকানা, দলিলপত্র, খতিয়ান ও মাঠ জরিপের রেকর্ড যাচাই করে বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান করা হোক। একই সঙ্গে অভিযোগগুলো তদন্ত করে নিরপরাধ পরিবারগুলোকে হয়রানি থেকে রক্ষা এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date