রাজধানীর বনশ্রীতে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে খালে পড়ে গেছে। দুর্ঘটনায় হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেল ৫টা ৪২ মিনিটের দিকে দুর্ঘটনার তথ্য পায় ফায়ার সার্ভিস।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার বলেন, আজ বিকেল ৫টা ৪২ মিনিটের দিকে বনশ্রীর মেরাদিয়া এলাকায় আলিফ পরিবহনের একটি বাস উল্টে খালে পড়ে যায়। খাল থেকে বাসটি উদ্ধার করতে পুলিশ আমাদের খবর দেয়। ফায়ার সর্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছে।
Read_more
- সাজেকে থেকে ফেরার পথে খাদে পড়ে গেল পর্যটকবাহী জিপ
- কুমিল্লায় একদিনে সড়কে ঝরল ৫ প্রাণ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন গাড়ির সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নিহত ৩
- কুড়িগ্রামে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহত
- গোপালগঞ্জে ট্রাকচাপায় পুলিশ কর্মকর্তা নিহত
- বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় নিহত ৩
- ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে
- ফরিদপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
- মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ ব্যবসায়ী নিহত
- সড়ক দুর্ঘটনায় আফগানিস্তানে ৫২ জন নিহত
- নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত, আহত ১৭
- গাড়িচাপায় বুয়েট শিক্ষার্থী নিহত : মামলা নিতে অনীহার অভিযোগ
- গাজীপুরে ট্রাকচাপায় দুইজন নিহত
- টাঙ্গাইলে সড়কে প্রাণ গেল চারজনের
- ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জন নিহত
- চোখের জলে এক বীরকে বিদায় দিল ফায়ার সার্ভিস
- এক্সপ্রেসওয়ের ধলেশ্বরী টোল প্লাজায় বাসের ধাক্কায় ৫ জন নিহত
মন্তব্য / প্রেরক
আজকের রাশিফল: ১২ রাশির ভাগ্যে কী আছে? অর্থ, কর্ম ও সম্পর্কের বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ
-
ঢাকামোড়২৪.কম ডেস্ক :
আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর। কর্মজীবন, ব্যবসা, অর্থ, পারিবারিক সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত পরিকল্পনা নিয়ে দিনটি কেমন কাটতে পারে, তা জানতে আগ্রহী অনেকেই। জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, আজ কোনো কোনো রাশির জাতক-জাতিকার সামনে নতুন সুযোগ আসতে পারে, আবার কাউকে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, কথাবার্তায় সংযম এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হতে পারে।
ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত আজকের রাশিফল অনুসারে, ১২টি রাশির সম্ভাব্য দিনচিত্র তুলে ধরা হলো।
১২ রাশির আজকের রাশিফল
১. মেষ (২১ মার্চ–১৯ এপ্রিল)
কর্মক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে। ব্যবসায় যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে খরচের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
২. বৃষ (২০ এপ্রিল–২০ মে)
কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বা নতুন দায়িত্ব আসতে পারে। পারিবারিক জীবনে শান্তি বজায় রাখতে রাগ নিয়ন্ত্রণ করুন। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় এড়িয়ে চলুন।
৩. মিথুন (২১ মে–২০ জুন)
জনসংযোগ ও যোগাযোগের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের কাজে মনোযোগী থাকা প্রয়োজন। ব্যক্তিগত সম্পর্কে ভুল-বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলুন।
৪. কর্কট (২১ জুন–২২ জুলাই)
কাজের চাপের সঙ্গে আর্থিক পরিকল্পনার বিষয়টিও গুরুত্ব পেতে পারে। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখুন। সহকর্মীদের সঙ্গে মতবিরোধ হলে ধৈর্যের সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা করুন।
৫. সিংহ (২৩ জুলাই–২২ আগস্ট)
কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব বা কাজের প্রয়োজনে ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। কথা বলার ক্ষেত্রে সংযম বজায় রাখুন। ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালোভাবে যাচাই করুন।
৬. কন্যা (২৩ আগস্ট–২২ সেপ্টেম্বর)
দাপ্তরিক কাজে মনোযোগ ও পরিকল্পনা কাজে লাগতে পারে। আর্থিক বিষয়ে সতর্ক থাকুন এবং যাচাই না করে কোথাও বিনিয়োগ করবেন না। নিজের বিশ্রাম ও সুস্থতার দিকেও নজর দিন।
৭. তুলা (২৩ সেপ্টেম্বর–২২ অক্টোবর)
কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি ও আর্থিক লাভের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী থাকতে পারেন। পরিবার ও পরিচিতজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ আসতে পারে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করুন।
৮. বৃশ্চিক (২৩ অক্টোবর–২১ নভেম্বর)
পুরোনো কোনো সমস্যা সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ব্যবসা বা ব্যক্তিগত পরিকল্পনায় অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ কাজে লাগতে পারে। আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।
৯. ধনু (২২ নভেম্বর–২১ ডিসেম্বর)
আর্থিক ও পেশাগত বিষয়ে নতুন সম্ভাবনা সামনে আসতে পারে। পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে পারেন। তবে কাজের চাপ ও শারীরিক বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখুন।
১০. মকর (২২ ডিসেম্বর–১৯ জানুয়ারি)
দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মনোযোগী হতে পারেন। নতুন বিনিয়োগের আগে লাভ-ক্ষতির হিসাব করুন। কর্মক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে কাজ করলে উপকার হতে পারে।
১১. কুম্ভ (২০ জানুয়ারি–১৮ ফেব্রুয়ারি)
পারিবারিক পরিবেশে আনন্দের সুযোগ থাকলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কে স্পষ্ট যোগাযোগ জরুরি। কাজের ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অভিজ্ঞদের পরামর্শ বিবেচনা করুন।
১২. মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি–২০ মার্চ)
দায়িত্ব পালনে মনোযোগী থাকা প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে ছোটখাটো ভুল এড়াতে কাজ গুছিয়ে করুন। আর্থিক পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখুন।
আজকের পরামর্শ
দিনটি ভালোভাবে কাজে লাগাতে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো, গুরুত্বপূর্ণ কাজে মনোযোগ দেওয়া এবং পারিবারিক ও পেশাগত সম্পর্কে ধৈর্য বজায় রাখা জরুরি। রাশিফলকে বিনোদন ও প্রচলিত জ্যোতিষীয় বিশ্বাসের অংশ হিসেবে দেখাই যুক্তিযুক্ত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: রাশিফল বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। অর্থ বিনিয়োগ, চিকিৎসা, চাকরি কিংবা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কেবল রাশিফলের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া উচিত নয়।
প্রতিবেদন: রাশিফল ডেস্ক
ঢাকামোড়২৪.কম (DM24NEWS) — সত্য প্রকাশে অবিচল
মন্তব্য / প্রেরক
সীমান্তে অবৈধ পারাপার রোধে পাঁচবিবিতে জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
-
পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পারাপার ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার হাটখোলা সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীদের নিয়ে এক জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫ টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ধরঞ্জী ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধরঞ্জী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনওয়ারুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাশপিয়া তাসরিন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিজিবি হাটখোলা ক্যাম্প কমান্ডার মো. মোতালেব হোসেন, শ্রীমন্তপুর উচ্চবিদ্যায়েলর প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক ও সাংবাদিক মতিউর রহমান, ইউপি সদস্য লাইজর রহমান এবং মোছা. জান্নাতুন ফেরদৌসসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সীমান্তবাসীদের অযথা আতঙ্কিত না হয়ে প্রশাসন ও বিজিবিকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের নির্ধারিত আইন ও বিধিনিষেধ মেনে বৈধ কাগজপত্র, বিশেষ করে পাসপোর্টের মাধ্যমে সীমান্ত অতিক্রম করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার বা অনুপ্রবেশ গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাদের আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী বসবাস করেন, তাদেরও বৈধ পথে যাতায়াতের জন্য উৎসাহিত করতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
সভায় সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ পারাপার প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
মন্তব্য / প্রেরক
মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে। র্যালী ও আলোচনা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাঝে হেলমেট উপহার দেন। বুধবার সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান আসাদ, এবং বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার এটি এম মাইনুল হাসান।এছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তা, সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনের কর্মী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশকে ভালোবাসা মানেই দেশের আইন মেনে চলা। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু সরকারের কাজ নয়, প্রত্যেক চালক, পথচারী ও নাগরিকেরও দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর দেশে হাজারো মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে এবং অর্ধলক্ষাধিক মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করছে।বিশেষ করে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার উদ্বেগজনক।অনেক সময় পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীই দুর্ঘটনায় মারা যান বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন, যার ফলে পুরো পরিবার চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়ে। জেলা প্রশাসক সকল চালক ও মোটরসাইকেল আরোহীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজস্ব ড্রাইভিং লাইসেন্স,গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। নিয়ন্ত্রিত গতি ও নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রকৃত দেশপ্রেমিকের পরিচয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, নিয়ম মেনে চললে দুর্ঘটনা রোধ সম্ভব। এ জন্য প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে এবং সড়ক ব্যবহারে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
মন্তব্য / প্রেরক
তারিখ ও সময়:
২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর, সন্ধ্যার দিকে
স্থান:
ঢাকার মিরপুর এলাকায় অবস্থিত একটি রসায়নিক ও পোশাক কারখানা ও গোডাউন এলাকা
সংক্ষিপ্ত কথাসারাংশ:
রাজধানীর মিরপুরে আজ সন্ধ্যার দিকে একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। রসায়নিক ও পোশাক স্টোরের সংলগ্ন একটি গোডাউনে আগুন লেগে কমপক্ষে ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত এবং নিখোঁজের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট হওয়া উচিত চলছে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থল এগিয়ে আসে এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
ভিডিও সংবাদ প্রতিবেদনে ঘটনাস্থল থেকে ধোঁয়া ও আগুনের তীব্র আলোকস্তুপ দেখা গেছে, এবং উদ্ধারকারীদের এবং স্থানীয়দের আতঙ্ক ও চিৎকারের বড় তাল মিলেছে। Facebook+3YouTube+3YouTube+3
বিস্তারিত ঘটনা বিবরণ:
🔥 আগুন লাগার প্রথম মুহূর্ত
ঘটনা শুরু হয় সন্ধ্যার দিকে, যখন স্থানীয়রা প্রথমে ধোঁয়া দেখতে পান এবং ভয়ঙ্কর জ্বলন্ত লব্ধি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। কারখানা ও গোডাউনের মধ্যে কিছু অংশে গ্যাসীয় রাসায়নিক পদার্থ থাকার কারণে আগুনের প্রকোপ দ্রুত বেড়ে যায়। YouTube+3Facebook+3Facebook+3
🚒 উদ্ধার ও কর্মসূচি
ফায়ার সার্ভিস বাহিনী দ্রুত পৌঁছে ৮–১০টি ইউনিট দিয়ে উদ্ধার ও আগুন নিয়ন্ত্রণ কাজ শুরু করে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয় পুলিশ সদস্যরাও সহায়তা করেছেন। Facebook+1
ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী পার্লার, দোকান ও রাস্তাঘাট থেকে জনসাধারণকে সরে যেতে বলা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ধাঁধাঁ পাথর ও ধোঁয়ার কারণে কিছুটা সীমাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। Facebook+1
⚰️ প্রাণহানির হালনাগাদ
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। YouTube+2Facebook+2 তবে কিছু প্রতিবেদন বলছে ১৬ জন পর্যন্ত নিহত হতে পারে — বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হয়নি। Facebook+1
আহত ও গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের সন্ধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। Facebook+1
সম্ভাব্য কারণ ও তদন্ত অবস্থা:
আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, ৰসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শ, বৈদ্যুতিক শিখা বা অদক্ষ সংযোগ— যেকোন একটি কারণ হয়ে থাকতে পারে। YouTube+2Facebook+2
প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সাব-ইনস্পেক্টর পর্যায়ে ঘটনার পুরো চিত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। Facebook+1
প্রতিক্রিয়া ও দাবি:
স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দাবি করছেন —
- কারখানাগুলোর সুরক্ষা মানদণ্ড কঠোরভাবে বজায় রাখা হোক
- রসায়নিক পদার্থের স্টোরেজ ও ব্যবহারে সরকারি তদারকি বাড়ানো হোক
- নিখোঁজদের দ্রুত সন্ধান ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহায়তা করা হোক
স্থানীয় প্রশাসন দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
উপসংহার:
মিরপুরে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, একটি বিপর্যয় — যা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় সুরক্ষা ও তদারকির অপরিহার্যতা। আগুন নিয়ন্ত্রণে যত দ্রুততা কাজ করে তার পেছনে রয়েছে উচ্চ সাহস, সঙ্কল্প ও কষ্ঠ। আশা করা যায়, ঘটনার প্রকৃত কারণ দ্রুত উদঘাটিত হবে এবং এমন রকম কঠিন শোক আর না আসুক।
মন্তব্য / প্রেরক
সাম্প্রতিক
নিউজলেটার
নিউজলেটার বিবরণ