Image
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেব : তারেক রহমান

নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেব : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেযারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমরা দুই বছর আগে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ২৭ দফা দিয়েছিলাম। আমাদের আত্মবিশ্বাস ছিল স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার বিদায় নিচ্ছে। তবে আমাদের জানা ছিল না কবে স্বৈরাচারের বিদায় হবে। বর্তমানে ৩১ দফা অর্জন কমবেশি তখনই করতে পারব, যখন জনগণের সমর্থন নিয়ে আপনারা সরকার গঠন করতে পারবেন। এজন্য ৩১ দফাকে জনগণের দ্বারে দ্বারে নিয়ে যেতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা জনগণের সিদ্ধান্ত মেনে নেব।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপিঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি বিষয়ক ফরিদপুর বিভাগীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন এবং শেষ করেন ৫টা ২৩ মিনিটে। ফরিদপুর সদর উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

তারেক রহমান বলেন, ৩১ দফায় জনগণের সমর্থন নেওয়া, আস্থা অর্জন ও ধরে রাখার দায়িত্ব আমার আপনার আপনাদের সকলের। জনগণকে আস্থায় রাখতে হলে সকলকে নিয়ে কাজ করতে হবে। আপনারা সকলে যে যার অবস্থান থেকে কাজ করবেন। আপনারা প্রত্যেকে বিএনপির নেতা, অ্যাম্বাসেডর, বিএনপির প্রতিনিধি।

বিএনপির একার আন্দোলনে স্বৈরাচার পালিয়ে যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল দল কাজ করেছে, সকল মানুষ একত্রিত হয়েছিল বলেই স্বৈরাচার বিদায় নিয়েছে। তবে আমাদের ওপর জনগণের আস্থা আছে বলে আমাদের ঘরে বসে থাকলে চলবে না। আমরা যাদি চুপচাপ বসে থাকি তাহলে কোনো কাজ হবে না। আমরা এমন কোনো ভুল চিন্তা বা কাজ যেন না করি যাতে আমরা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। এতে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই যারা ভুল করছে তাদের বোঝাতে হবে, সতর্ক করতে হবে। সবাই মিলেই আমাদের কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ যদি না জানতে পারে বিএনপি কি চায়, জনগণের জন্য কি ভাবে, ছাত্রের জন্য কি ভাবে, নারীদের জন্য কি ভাবে, কৃষকের জন্য কি ভাবে, শ্রমিকের জন্য কি ভাবে তাহলে জনগণের সমর্থন আমাদের ওপর থাকবে না।

তিনি বলেন, হয়তো একবারে আমরা পারব না। তবে আমরা সূচনা করে যেতে চাই। পরে ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলতে থাকলে পর্যায়ক্রমে আমরা একটা জায়গায় যাব। এই প্রক্রিয়ার যুক্ত হতে চাইলে জনগণের সমর্থন দরকার। আমরা দেশে একটা জবাবদিহিতার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। শুধু প্রধানমন্ত্রী বা এমপির জবাবদিহিতা নয়, জবাদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে সমাজের সব পর্যায়ে। মেয়র ইউপি চেয়ারম্যান সমাজের প্রতিনিধিত্বশীল কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়। শেখ হাসিনার সময়ে জবাবদিহিতা ছিল না। জবাবদিহিতা থাকলে ফরিদপুর থেকে দুই হাজার কোটি টাকা পাচার হতে পারতো না।

তারেক রহমান বলেন, দেশের এমন এক অবস্থা আমরা গড়ে তুলতে চাই যেখানে চিকিৎসার জন্য দেশের মানুষকে দেশের বাইরে যেতে হবে না, ছাত্ররা শিক্ষাজীবন শেষ করে কাজ পাবে, কৃষক তার পণ্যের ন্যায্য দাম পাবে। স্বৈরাচারকে যেভাবে আমরা একতাবদ্ধ হয়ে উৎখাত করেছি তেমনি জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের একত্রে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জনগণকে আস্থায় রাখতে হবে, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে হবে, জনগণের কথায় উঠতে বসতে ও চলতে হবে। রাজনীতির মূল কথা হচ্ছে জনগণের আস্থা অর্জন। জনগণের আস্থা ধরে রাখতে যে যে কৌশল আছে তা আমাদের করে যেতে হবে।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, হাসিনার অন্যায় অত্যাচার নির্যাতন জুলুমের প্রতিবাদ হচ্ছে বিএনপির এই ৩১ দফা। এটি একটি মানবিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের বুকলেট।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ৩১ দফা প্রণয়ন কমিটির সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা ড. মেহেবী আমিন।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ বিভাগীয় কর্মশালা শুরু হয়। কর্মশালায় ফরিদপুর জেলা ছাড়াও রাজবাড়ী মাদারীপুর শরীয়তপুর গোপালগঞ্জের বিএনপির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। কর্মশালায় বিভিন্ন জেলার নেতৃবৃন্দ তারেক রহমানকে নানা রকম প্রশ্ন করেন এবং তারেক রহমান সেসব প্রশ্নের জবাব দেন।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date