Image
  • বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নিরাপত্তা আসে সিস্টেম থেকে, পোশাক থেকে না

নিরাপত্তা আসে সিস্টেম থেকে, পোশাক থেকে না
একটি খ্রিস্টান-প্রধান দেশের রাস্তায় গভীর রাত ২টায় বা ৩টায় একজন তরুণী শর্ট ড্রেস পরে একা হেঁটে যাচ্ছে। কেউ তাকে বিরক্ত করছে না, কেউ তার পোশাক নিয়ে বিচার করছে না, কেউ তার নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়ার সাহস পাচ্ছে না।
আর আমাদের দেশে?
একজন মেয়ে কুরআন শেখার জন্য মাদ্রাসায় গিয়েও নিরাপদ থাকে না।
একটা মেয়ে রাত দুইটায় শর্ট ড্রেস পরে একা হাঁটছে, কেউ তাকে ডিস্টার্ব করেনি। আরেকটা মেয়ে মাদ্রাসায় কুরআন শিখতে গিয়েও নিরাপত্তা পায়নি। এই দুইটা ঘটনা পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায়, সমস্যাটা কোথায়। সমস্যাটা পোশাকে না, সমস্যাটা ধর্মেও না। সমস্যাটা সিস্টেমে, আইনের শাসনে, আর মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখার মানসিকতায়।
পোশাক দিয়ে নিরাপত্তা মাপার ভুল যুক্তি দিয়ে আমাদের সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে মেয়েদের পোশাক শালীন হলে তারা নিরাপদ থাকবে। এই যুক্তিটা বাস্তবতার সাথে মেলে না। বোরকা পরা মেয়ে, হিজাব পরা মেয়ে, মাদ্রাসায় পড়া মেয়েগুলো এই যুক্তি অনুযায়ী অনিরাপদ থাকার কথা না, অথচ বাস্তবে তারাও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
উল্টো দিকে, যেসব দেশে মেয়েরা তুলনামূলক খোলামেলা পোশাক পরে, রাতেও একা চলাফেরা করে, সেখানে অপরাধের হার অনেক ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে কম। এই বৈপরীত্য প্রমাণ করে যে পোশাক আর নিরাপত্তার মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। যদি পোশাকই আসল কারণ হতো, তাহলে মাদ্রাসার মতো সবচেয়ে "নিরাপদ" ধরে নেওয়া পরিবেশেও নির্যাতনের ঘটনা ঘটত না।
আসলে পোশাক দিয়ে নিরাপত্তা মাপার এই চিন্তাটা একটা সুবিধাজনক অজুহাত। এটা অপরাধীর দায় থেকে সমাজের নজর সরিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর ফেলে দেয়। "কেন এত রাতে বের হলো", "কেন এই পোশাক পরল", "কেন একা গেল"—এই প্রশ্নগুলো আসলে অপরাধ প্রতিরোধ করে না, বরং অপরাধীকে দায়মুক্তি দেয়।
যখন একটা সমাজ ভুক্তভোগীকে প্রশ্ন করে আর অপরাধীকে ছেড়ে দেয়, তখন সেই সমাজে অপরাধ কমার বদলে বাড়তেই থাকে। অথচ একটি সভ্য সমাজে এসব প্রশ্নের কোনো স্থান থাকার কথা নয়। একটাই প্রশ্ন হওয়া উচিত—অপরাধী কে, এবং তার শাস্তি কী?
যতদিন আমরা মানুষের নিরাপত্তাকে ধর্ম, পোশাক বা ব্যক্তিগত জীবনযাপনের সঙ্গে মেপে দেখব, ততদিন হাজারো হিজাব, হাজারো মাদ্রাসা কিংবা হাজারো উপদেশ দিয়েও কোনো মেয়েকে সত্যিকারের নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না।
যেসব দেশে মেয়েরা নির্ভয়ে রাতে হাঁটতে পারে, সেখানকার আসল রহস্য হলো একটা কার্যকর বিচারব্যবস্থা। সেখানে অপরাধ করলে শাস্তি হবেই—এই নিশ্চয়তা মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করে। পুলিশ দ্রুত সাড়া দেয়, তদন্ত স্বচ্ছভাবে হয়, বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় আটকে থাকে না, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আইনের চোখে সবাই সমান। ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী হলেও অপরাধী রেহাই পায় না। এই ধারাবাহিকতা মানুষের মনে একটা বার্তা দেয়—অপরাধ করলে পার পাওয়া যাবে না।
আমাদের সমাজে এই নিশ্চয়তার বড় অভাব। মামলা বছরের পর বছর আদালতে ঝুলে থাকে। প্রভাবশালীরা প্রায়ই আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যায়। ভুক্তভোগীকেই উল্টো সমাজের কাছে নিজের চরিত্র প্রমাণ করতে হয়। যখন অপরাধের শাস্তি অনিশ্চিত হয়ে যায়, তখন অপরাধ করার সাহসও বেড়ে যায়। তাই সমস্যাটা শুধু আইন থাকা না-থাকার না, সমস্যাটা সেই আইনের বাস্তবায়নে।
মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া আইনও অসম্পূর্ণ
শুধু আইন থাকলেই সমাজ বদলে যায় না। সমাজের সামষ্টিক মানসিকতাও পরিবর্তন হতে হয়। আমাদের এখানে মেয়েদের প্রায়ই বস্তু হিসেবে দেখা হয়, ব্যক্তি হিসেবে না। তার পোশাক, তার চলাফেরা, তার সময়—এসব দিয়ে তাকে বিচার করা হয়, তার মানবিক পরিচয় দিয়ে না। এই মানসিকতা পরিবর্তন না হলে হাজারটা আইন থাকলেও বাস্তব পরিবর্তন আসবে না।
এই মানসিকতা পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হলো শিক্ষা। ছোটবেলা থেকে ছেলে-মেয়ে উভয়কেই শেখানো দরকার যে একজন মানুষের শরীর বা পোশাক কখনোই তার ওপর সহিংসতার অনুমতি দেয় না। পরিবার, স্কুল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—সব জায়গায় এই শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে যে সম্মতি ছাড়া কারো শরীরে হাত দেওয়া অপরাধ, তা সে যেই পোশাকই পরুক বা যেই সময়েই বাইরে থাকুক। যতদিন আমরা "মেয়েটা কী পরেছিল" জিজ্ঞেস করা বন্ধ না করে "অপরাধী কেন করল" জিজ্ঞেস করা শুরু করব না, ততদিন প্রকৃত পরিবর্তন আসবে না।
এই আলোচনার লক্ষ্য কোনো ধর্মকে দোষারোপ করা না। সমস্যাটা ধর্মের শিক্ষায় না, সমস্যাটা সেই শিক্ষার সামাজিক প্রয়োগে। প্রায় প্রতিটি ধর্মই নারীর প্রতি সম্মান, নিরাপত্তা আর মর্যাদার কথা বলে। কিন্তু বাস্তবে যখন ধর্মীয় বিধিবিধানকে শুধু নারীর পোশাক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার বানানো হয়, আর পুরুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নটা উপেক্ষিত থেকে যায়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান—যেমন মাদ্রাসা—যদি নিরাপদ না হয়, সেটা ধর্মের ব্যর্থতা না, সেটা সেই প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতার অভাব, তদারকির অভাব, আর অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সদিচ্ছার অভাব।
সুতরাং তুলনাটা ধর্মে ধর্মে না, তুলনাটা সিস্টেমে সিস্টেমে। যে দেশে রাষ্ট্র তার নাগরিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়, আইন সবার জন্য সমানভাবে কাজ করে, আর অপরাধের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা দেখানো হয়—সেই দেশে মানুষ নির্ভয়ে চলাফেরা করতে পারে, ধর্ম বা সংস্কৃতি যাই হোক না কেন। আর যে দেশে অপরাধীর বদলে ভুক্তভোগীকে দোষারোপ করা হয়, বিচার বিলম্বিত হয়, প্রভাবশালীরা পার পেয়ে যায়—সেই দেশে হাজার রকম নিয়ম-কানুন থাকলেও মানুষ নিরাপদ থাকে না।
বাস্তব পরিবর্তনের জন্য কয়েকটা জায়গায় একযোগে কাজ করা দরকার।
প্রথমত, দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচারব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে যৌন নিপীড়নের মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হবে।
দ্বিতীয়ত, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে ভুক্তভোগী-বান্ধব প্রশিক্ষণ দিতে হবে, যাতে থানায় গিয়ে অভিযোগ করাই একটা লড়াই হয়ে না দাঁড়ায়।
তৃতীয়ত, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা থাকতে হবে, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার নামে অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া না যায়।
চতুর্থত, গণমাধ্যম ও পরিবার—উভয়কেই ভুক্তভোগীকে দোষারোপ করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, প্রশ্ন করার ধরনটা বদলাতে হবে। "মেয়েটা কেন রাতে বের হলো", "কেন এই পোশাক পরল"—এসব প্রশ্নের বদলে জিজ্ঞেস করতে হবে, "অপরাধী কেন এই সাহস পেল", "কেন সে জানত পার পেয়ে যাবে"। এই প্রশ্নের পরিবর্তনই আসলে সিস্টেম পরিবর্তনের শুরু।
সত্যি বলতে একটা মেয়ে রাত দুইটায় নির্ভয়ে হাঁটতে পারা আর একটা মেয়ে মাদ্রাসায় নিরাপত্তা না পাওয়া—এই দুইটা দৃশ্যের মধ্যে পার্থক্যটা ধর্মের না, পোশাকের না। পার্থক্যটা রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতায়, আইনের শাসনে, আর মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখার মানসিকতায়। যতদিন আমরা নারীর নিরাপত্তাকে তার পোশাক বা তার আচরণের সাথে যুক্ত করে বিচার করব, ততদিন প্রকৃত নিরাপত্তা অধরাই থেকে যাবে। নিরাপত্তা আসে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান থেকে, ন্যায়বিচার থেকে, আর একটা সমাজের সামষ্টিক মূল্যবোধ থেকে—কাপড় থেকে না। এই সত্যটা যত দ্রুত আমরা মেনে নেব, তত দ্রুত একটা নিরাপদ সমাজ গড়ার পথে এগোতে পারব।

মন্তব্য / প্রেরক

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

‎ বিরামপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর যুবদলের যৌথ আয়োজনে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এই কর্মসূচি পালিত হয়।

‎প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার বিকেল ৪টায় বিরামপুর শহরের বিএনপি মোড়ে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

‎র‌্যালীতে উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মিঞা শফিকুল আলম মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী চৌধুরী রুবেল, পৌর বিএনপি'র সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক নুর ইসলাম এবং নূর আলম নূরা, মুকুন্দপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এবং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফীসহ উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

‎র‌্যালী শেষে সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জীবন চৌধুরী শাহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মিঞা শিরন আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাকির খন্দকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক তসলিম উদ্দিন মন্ডল, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব পলাশ বিন আশরাফী প্রমুখ।

‎এ সময় বক্তারা বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল দেশের প্রতিটি সংকটে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে যুবদল অগ্রভাগে লড়াই করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বাংলাদেশ নতুনভাবে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি দিনাজপুর-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, সমাজকল‍্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন এর নেতৃত্ব বিগত সময়ে উন্নয়ন কর্মকান্ডে পিছিয়ে থাকা দিনাজপুর-৬ আসনের অন্তর্গত বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট এই চারটি উপজেলায় উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কাজ ও কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে।"

‎

‎

মন্তব্য / প্রেরক

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত
ফটো: প্রতিনিধি

বিরলে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় হতে র‍্যালি বের হয়ে পৌরশহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ শেষে পূণরায় দলীয় কার্যালয়ে ফরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপি'র সহ-সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাদশা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ রশিদ, পৌর বিএনপি'র সহ-সভাপতি আসাদুল হক হিরা, সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল হোসেন সোনাহার, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুর রহমান, যুগ্মআহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জাহিদ হাসান বুলেট, রোস্তম আলী, মমিনুর ইসলাম, খায়রুল আলম বাবু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি/সম্পাদকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কুরবান আলী।


এছাড়াও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আসাদুল ইসলাম, কৃষকদলের সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুমন রেজা, সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রুবেল, পৌরছাত্রদলের আহ্বায়ক মাইদুল ইসলাম, সদস্য সচিব শিহাব ইমতিয়াজ, পৌর স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদসহ উপজেলা যুবদল ও বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে বৃক্ষরোপণ করা হয়। ০৩ নং ধামইর ইউনিয়ন হতে শতাধিক মোটরসাইকেল বহরসহকারে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রোস্তম আলীর নেতৃত্বে র‍্যালিতে আগত নেতাকর্মীবৃন্দকে স্বাগত জানান উপজেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। 

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের নবগঠিত ১০১ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
ফটো: প্রতিনিধি
দিনাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম জেলা শাখার নবগঠিত ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎শুক্রবার সন্ধ্যায় দিনাজপুর শহরের স্টেশন রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়ে এ পরিচিতি সভার আয়োজন করে সংগঠনটির দিনাজপুর জেলা শাখা।
 
‎অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর নবগঠিত কমিটির সার্বিক বিষয় নিয়ে সূচনা বক্তব্য দেন নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব ইমরুল হাসান রাজিব। তাঁর বক্তব্যের শেষাংশে নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে আমন্ত্রিত অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার পর দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন।
 
‎উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এমপি এবং সাধারণ সম্পাদক ড. কে আই মন্টি স্বাক্ষরিত অনুমোদনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দিনাজপুর জেলা শাখার ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
এরপর ‎সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা বক্তব্য প্রদান করেন, ককমিটির অন্যতম সদস্য মো. আসলাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাদিব গোলাম বীন নাছের, কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মঞ্জুর মুর্শেদ সুমন, সদস্য মোঃ নয়ন, সদস্য রাশেদুজ্জামান জামান রাশেদ।
এরপর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় আমন্ত্রিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, দিনাজপুর-৩ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও  দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, মুক্তিযোদ্ধা দল দিনাজপুর জেলা শাখার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোকশেদ আলী মঙ্গোলিয়া।
 
সভায় নবগঠিত কমিটির সকল যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতি ও সাংগঠনিক অংশগ্রহণ অতিথিদের প্রশংসা অর্জন করে।
‎নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক মারুফ নুরুন্নবী চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার

হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার
ফটো: প্রতিনিধি

“নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে দিনাজপুরের হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আলী মর্তূজাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আজ বুধবার ( ৭ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ভূইয়া স্বাক্ষরিত প্যাডে এই আদেশ দেন।

আরও উল্লেখ রয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

স্বাক্ষরিত পত্রে আরো উল্লেখ আছে, বহিষ্কৃতদের কোন ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নিবে না। যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date