Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

দেশে এলো চার জাহাজভর্তি সয়াবিন তেল

দেশে এলো চার জাহাজভর্তি সয়াবিন তেল

রমজানের বাকি এখনো আড়াই মাসেরও বেশি! এর মধ্যেই বাজারে ভোজ্যতেল নিয়ে কারসাজি শুরু হয়ে গেছে। কোম্পানিগুলোই তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ মুহূর্তে সাধারণ ক্রেতারা ‘প্রভাব’ আঁচ করতে না পারলেও ঠিকই চাপে পড়েছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বর্তমানে বাজারে সয়াবিন তেলের (বোতলজাত) সংকট রয়েছে। চাহিদামতো সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে চার দিনের ব্যবধানে এসেছে অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের চারটি জাহাজ। এ জাহাজগুলোর মাধ্যমে ৫২ হাজার টন সয়াবিন তেল আনা হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল থেকে। যদিও চারটি জাহাজই ব্রাজিল–আর্জেন্টিনার বন্দরগুলো থেকে এক মাস আগেই রওনা হয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে।

অন্যদিকে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) এই তেল সংকটের মধ্যে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে আট টাকা বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার।

ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বাড়ায় বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের যে সাময়িক সংকট চলছে তা কেটে যাবে। সোমবার সয়াবিনের দাম সমন্বয় করায় রোজার আগে আমদানি আরও বাড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক জানান, শনিবার এমটি আরডমোর শায়ানি ও এমটি ডাম্বলডোর নামে দুই জাহাজে বন্দরে আনা হয়েছে ২১ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন তেল। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বন্দর জলসীমায় পৌঁছেছে এমটি সানি ভিক্টরি ও এমটি জিঙ্গা থ্রেশার নামের আরও দুটি জাহাজ। এই দুই জাহাজে রয়েছে ৩০ হাজার ৬০০ টন সয়াবিন তেল। এর মধ্যে এমটি আরডমোর শায়ানি জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষ হয়েছে। সোমবারই জাহাজটি বন্দর ছেড়েছে। জাহাজগুলোর মধ্যে সানি ভিক্টরি এসেছে ব্রাজিল থেকে, বাকি তিনটি আর্জেন্টিনা।

জাহাজ কোম্পানি সূত্র জানায়, এই চার জাহাজে সয়াবিন তেল আমদানি করেছে সিটি গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ বা এমজিআই ও টিকে গ্রুপ। এর মধ্যে টিকে গ্রুপের ২৫ হাজার টন, সিটি গ্রুপের ২০ হাজার টন ও মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ৭ হাজার টন সয়াবিন তেল রয়েছে।

টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতহার বলেন, সয়াবিন তেলের দাম সমন্বয়ে সরকারের আশ্বাসে এসব সয়াবিন আমদানির জন্য অনেক আগেই ঋণপত্র খোলা হয়েছিল। এখন মূল্য সমন্বয়ের কারণে আমদানি সামনে বাড়বে। রোজার সময় সয়াবিনের সংকট হবে না। যদিও এখন যেসব জাহাজ আসছে সেগুলোতে টনপ্রতি সয়াবিনের দর ১ হাজার ২১৭ ডলার পড়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন থেকে বিক্রি হবে ১৭৫ টাকায়, যা এত দিন ছিল ১৬৭ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৪৯ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১৫৭ টাকা। দাম পুনর্নির্ধারণের কারণে বন্দরে আসা চার জাহাজের সয়াবিন তেলের বাজারমূল্যও বেড়ে গেছে। যেমন বন্দরে আসা ৫২ হাজার টন তেল পরিশোধন করে বাজারজাত হলে বোতলজাত সয়াবিন হিসেবে বাজারমূল্য দাঁড়াবে ৯৯৬ কোটি টাকা। দাম বাড়ানোর আগে যা ছিল ৯৫০ কোটি টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানি হওয়া এই সয়াবিন তেল প্রথমে জাহাজ থেকে খালাস করে রাখা হবে কাস্টমস নিয়ন্ত্রিত ট্যাংক টার্মিনালে। সেখান থেকে শুল্ক–কর পরিশোধ করে কারখানায় পরিশোধনের জন্য নিয়ে যাবে কোম্পানিগুলো। এরপর পরিশোধন করে বাজারজাত হবে এই সয়াবিন তেল। তাতে এক–দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাতুনগঞ্জের এক খুচরা ব্যবসায়ী বলেন, ‘রোজা এলেই অসাধু সিন্ডিকেট তৈরি হয়ে যায়। এবারও রমজান আসার আগেই বাজার ধরতে এমন পন্থা। এখন সংকট দেখালে রোজায় বাড়তি দামেই তেল বিক্রি করা যাবে। কারণ তখন তো ভোক্তারা কিনতে বাধ্য।

রিয়াজ উদ্দিন বাজারের শহিদুল হক নামে এক খুচরা ব্যবসায়ী কালবেলাকে বলেন, বাজারে এখন সয়াবিন তেলের সংকট। পাঁচ কার্টন চাইলে এক কার্টন মিলে। সেই সঙ্গে রয়েছে শর্ত; আর শর্ত না মানলে তেলই সাপ্লাই দিচ্ছে না। তারা তেলের জন্য যে শর্ত দিচ্ছে সেসব পণ্য আবার গ্রাহকরা নিতে চান না। তারা না নিলে আমাদের তো কিছু করার নেই। তখন আমাদের তেল নেওয়া বা বিক্রি পোষায় না। আর কোম্পানির শর্ত মানতে গিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়াতে হয়। এখন তারা তাদের টাকা দিয়ে পণ্য কিনবে; সেটা তো একান্তই তাদের ইচ্ছে কোনটা কিনবে বা কিনবে না। এখন আমরা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া মানে ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট হওয়া।

পাহাড়তলী বাজারের মিজান এন্ড ব্রাদার্সের মো. মিজান কালবেলাকে বলেন, সয়াবিন তেল তো পাওয়া যাচ্ছে না। সয়াবিন তেল অর্ডার দিলে কোম্পানির কাছ থেকে তাদের অন্য মাল নেয়া বাধ্যতামূলক। ঠেকায় পরে এখন সয়াবিন তেলের সাথে চালের প্যাকেটও নিতে হচ্ছে। এক লিটার বোতলজাত তেল ১৬৫-১৭৩ টাকা। সামনে শুনছি আরো দাম বাড়বে।

এদিকে ডিলাররা সরাসরি বক্তব্য দিতে রাজি না হলেও তেলের সঙ্গে অন্য পণ্য কেনার শর্তের কথা স্বীকার করেছেন। গণমাধ্যমে এর বেশি কথা বলতে রাজি নন তারা।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date