Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

বিরামপুরের মেধাবী সন্তানের বিশ্বজয়—Internet Society Pulse Fellow হলেন সৈয়দ তৌহিদুন নবী

বিরামপুরের মেধাবী সন্তানের বিশ্বজয়—Internet Society Pulse Fellow হলেন সৈয়দ তৌহিদুন নবী
ফটো: কালেকটেড

দিনাজপুরের বিরামপুরের মাটি থেকে উঠে এসে বিশ্বমঞ্চে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখলেন সৈয়দ তৌহিদুন নবী। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের Virginia Tech বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত।

সম্প্রতি তিনি বিশ্বখ্যাত Internet Society Pulse Fellowship ২০২৬-এর Internet Resilience ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বের ৫১টি দেশের প্রায় ২০০ আবেদনকারীর মধ্য থেকে প্রতি বছর মাত্র ১০ জনকে এই সম্মানজনক ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—তিনি এই ফেলোশিপ অর্জনকারী প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলাদেশি।

Internet Society একটি আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা, যা সবার জন্য উন্মুক্ত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে কাজ করে। এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করায় তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে গর্বের আবহ।

শিক্ষাজীবনেও তিনি ছিলেন অনন্য। BRAC University থেকে সিজিপিএ ৪.০০/৪.০০ (Highest Distinction) নিয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন এবং American International University-Bangladesh (AIUB) থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। গবেষণার পথে যাত্রা শুরুর আগে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিকম প্রতিষ্ঠান Robi Axiata ও Banglalink-এ Mobile Network Planning Engineer হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা তার বর্তমান গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

নিজের এই অর্জন সম্পর্কে সৈয়দ তৌহিদুন নবী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাকে Internet Observability ও Resilience নিয়ে আরও গভীরভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। ভবিষ্যতে এমন গবেষণা করতে চাই, যা বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে।”

বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৭ সালের এসএসসি ব্যাচের সহপাঠীদের কাছে তৌহিদুন নবীর এই অর্জন যেন এক আনন্দ-গর্বের মিশ্র অনুভূতি।

গোলাম কিবরিয়া, মাজহারুল ইসলাম তানিম ও ইব্রাহীম মিঞা বলেন,“স্কুলজীবন থেকেই ও খুব মনোযোগী আর পরিশ্রমী ছিল। আজকে ওর এই সাফল্য দেখে মনে হচ্ছে—আমাদের ব্যাচের একজন বন্ধু বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম তুলে ধরছে।”

সহপাঠী প্রিন্স হোসাইন,মোর্শেদ ও মিজান এর ভাষায়, “আমরা একই বেঞ্চে বসে পড়াশোনা করেছি, একই মাঠে খেলেছি। আজ সে বিশ্বমানের গবেষক—এটা সত্যিই আমাদের জন্য গর্বের। ওর সাফল্য আমাদেরও অনুপ্রাণিত করে।”

বন্ধু শাহরিয়ার রমিম, আবেগআপ্লুত হয়ে বলেন,“বিরামপুরের মতো একটি ছোট জায়গা থেকেও যে বিশ্বমানের জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব—তৌহিদ তার জীবন্ত উদাহরণ।”

বিরামপুর পৌর শহরের প্রফেসর পাড়ার বাসিন্দা সৈয়দ তৌহিদুন নবী, সৈয়দ বদরুন নবীর একমাত্র পুত্র সন্তান। তার দুইজন ছোট বোন রয়েছে। একটি শিক্ষিত ও সুশৃঙ্খল পরিবারে বেড়ে ওঠা তৌহিদুন নবীর এই অর্জন আজ শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়—এটি তার পরিবার, বিরামপুরবাসী এবং সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য গর্বের বিষয়।

তার বাবা সৈয়দ বদরুন নবী অগ্রণী ব্যাংক, বিরামপুর শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক হিসেবে দীর্ঘদিন সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরিবারের সেই শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ ও পরিশ্রমী মনোভাবই তৌহিদুন নবীর আজকের এই সাফল্যের পেছনে বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি মেধাবী, ভদ্র ও লক্ষ্যভেদী ছিলেন। তাই তার এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যেন বিরামপুরের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গর্বের অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে।

বিরামপুরের সাধারণ মানুষ ও শিক্ষকরাও তার এই সাফল্যে আনন্দিত ও গর্বিত। তারা মনে করেন, এমন অর্জন নতুন প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখতে শেখাবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সাহস জোগাবে।

মন্তব্য / প্রেরক

পলাশবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

পলাশবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
fkr.foysal@yahoo.com

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর অর্থায়নে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার ( ৪ নভেম্বর) দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে ও দিনাজপুর জেলা দুর্নীতি দমন কমিশনের অর্থায়নে পলাশবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নবাবগঞ্জ কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি বিরোধী কমিটির সভাপতি মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিধান কান্তি হালদার ও বিশেষ অতিথি নবাবগঞ্জ মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি বিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও পলাশবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো.ইকবাল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মো.ওবাইদুল হক, সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলম, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা দুর্নীতি বিরোধী কমিটির সদস্য মো.হাফিজুর রহমান মিলন, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা।এসময় অতিথিবৃন্দ শিক্ষার্থীদের হাতে দুদকের দেয়া স্কুল ব্যাগ, জ্যামিতি বক্স, টিফিন বক্স, পানির বোতল, খাতা, স্কেল সহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বক্তরা দুর্নীতি প্রতিরোধে দুদকের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের সব পর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসায় কেউ পাস করেনি ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গার আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসায় কেউ পাস করেনি  ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন
ফটোঃ প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় আমশড়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২১ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাশ করতে পারেননি।শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

গত শনিবার ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই মাদ্রাসাটির এমন ফলাফল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ,প্রতিষ্ঠান প্রধানের অনিয়ম,শিক্ষকদের অনিয়মিত উপস্থিতি,পাঠদানে গাফিলতি,টাকার বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, নির্ধারিত সময়ের আগেই মাদ্রাসা ছুটি এবং পরিচালনা পর্ষদের দুর্বল ব্যবস্থাপনা,সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দুর্বল তদারকিসহ নানাবিধ সমস্যার কারণে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত ও মাদ্রাসাটির পুরানো ঐতিহ্য হারাতে বসেছে।স্থানীয়দের মতে,এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন ফলাফলে সবাই উদ্বেগজনক।শিক্ষার মান উন্নয়ন, নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার দাবী জানিয়েছেন তারা।অন্যদিকে,প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মাও: মিজানুর রহমান জানান,মাদ্রাসাটি প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি ও পড়াশোনায় মনোযোগের ঘাটতি রয়েছে।শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে আসক্তি এবং অভিভাবকদের পর্যাপ্ত তদারকি ও সচেতনতার অভাবও ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে তিনি মনে করেন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী,এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২১ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা,,,,জানান,শতভাগ ফেল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানাতে বলা হয়েছে।কেন ফলাফল খারাপ হয়েছে,এমন প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিভাবে পরবর্তী ময়ে ফলাফল ভালো করা যায় সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এমন ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধান,পাঠদানের পরিবেশ উন্নয়ন,তদারকী জোরদার এবং ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

মন্তব্য / প্রেরক

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী।

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা।  এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী।
ফটো: প্রতিনিধি

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে জিপিএ-৫ ও পাসের হারসহ সব সূচকে এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। এবার দিনাজপুর বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মেয়ে ১৫৭০ জন ও ছেলে ১৩৮৩ জন। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ১৮৭ জন বেশী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য জানা যায়। বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর বোর্ডের অধীনে আট জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট এক লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। মোট পাশের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর বোর্ড থেকে ২ হাজার ৯৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী পেয়েছে ১ হাজার ৫৭০ জন। মোট পাসের মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ। মেয়েরা ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশী পাস করেছে।ফলাফলে আরও দেখা যায় বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগেও মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ভাল করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। যার মধ্য মেয়েরা ৬৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ছেলেরা ৬৫ দশমিক ৯ শতাংশ। যেখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ২ দশমিক ৬১ ও শতাংশ বেশী পাস করেছে। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। যার মধ্যে মেয়েরা ৪৫ দশমিক ৬০ শতাংশ ও ছেলেরা ৩৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। এখানে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ১২ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশী পাস করেছে। আর বাণিজ্য বিভাগে পাসের হার ৩৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যার মধ্যে মেয়েরা ৩৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও ছেলেরা ৩৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। এই বিভাগেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বেশী পাস করেছে। শনিবার দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত পরিসংখ্যানে বিষয়টি জানানো হয়।

মন্তব্য / প্রেরক

সভাপতি মেহেদী হায়দার চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. নুরুজ্জামান মিয়া

সভাপতি   মেহেদী হায়দার চৌধুরী  সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. নুরুজ্জামান  মিয়া
ফটো: সংগৃহিত

মেহেদী হায়দার চৌধুরীকে সভাপতি এবং এইচ. এম. নুরুজ্জামান মিয়াকে  সাধারণ সম্পাদক করে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধীন মাস্টার অব প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টিং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (এমপিএ) ২০২৬-২০২৭ এবং ২০২৭-২০২৮ মেয়াদের জন্য তাদের নতুন ২১ সদস্যবিশিষ্ট এই কার্যনির্বাহী কমিটি  গঠন করা হয়েছে।  গত শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনে অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত  প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি: মোঃ জাকির হোসেন এফসিএস, মীর জাহাঙ্গীর আলম সরকার, যুগ্ম সম্পাদক: সৈয়দ আল হাদী,কোষাধ্যক্ষ: মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন খন্দকার, সাংগঠনিক সম্পাদক: অনুপ কুমার রায়,প্রকল্প সম্পাদক: সাবরিনা ইসলাম পপি,সদস্যপদ উন্নয়ন সম্পাদক: আব্দুল আহাদ পাঠান, এফআইপিএ, এফএফএ, কল্যাণ সম্পাদক: মোঃ মনোয়ার হোসেন,আইসিটি সম্পাদক: পল্লব কুমার মহালানবিশ,আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: রনি হালদার, ক্রীড়া সম্পাদক: মোঃ আলামিন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক: অমিত কুমার মল্লিক,দপ্তর সম্পাদক: মোহাম্মদ নাজমুল হাসান। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা হলেন :মোঃ মোফাকখারুল ইসলাম পারভেজ,মোঃ ফয়েজ আহমেদ, মীর মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন, সরজিৎ কুমার সাহা,এম. এ. কুদ্দুস,মোহাম্মদ সোলায়মান উদ্দিন।  কমিটি গঠনের পরে নেতৃবৃন্দ জানান, এই নতুন গতিশীল টিম অ্যাসোসিয়েশনকে নেতৃত্ব দেবে এবং হিসাববিজ্ঞান পেশাজীবীদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে। নবগঠিত এই কমিটির মূল লক্ষ্য হলো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং করপোরেট নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। কমিটির সদস্যরা আর্থিক খাতে কর্মরত গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন, পেশাদার নেটওয়ার্কিং এবং সম্মিলিত উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া। অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা আরো  জানান, "আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি সক্রিয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যা আমাদের অ্যালামনাইদের সহায়তা করার পাশাপাশি আমাদের প্রিয় বিভাগের উন্নয়নে অবদান রাখবে।" নেতৃবৃন্দ আরও জানান যে, আগামী মাসগুলোতে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম, প্রফেশনাল ওয়ার্কশপ এবং নেটওয়ার্কিং ইভেন্টসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমপিএ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (MPA Alumni Association) প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের দায়িত্বে নিয়োজিত তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে ছিলেন এমপিএ কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার চৌধুরী। কমিশনের অন্য সম্মানিত সদস্যরা হলেন অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান সরকার, এফসিএমএ (FCMA) এবং অধ্যাপক আমিরুস সালাত।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date