Image
  • বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

জমি ও কোটি কোটি টাকার মালিক ৯ সাপুড়ে, কীভাবে এত সম্পদ হলো তাদের

জমি ও কোটি কোটি টাকার মালিক ৯ সাপুড়ে, কীভাবে এত সম্পদ হলো তাদের

ঢাকার সাভারের বেদেপল্লির ৯ সাপুড়ে। পাঁচ বছর আগেও একদিন সাপের খেলা না দেখালে তাদের পরিবারের সদস্যদের অনাহারে-অর্ধাহারে থাকতে হতো। সেই সাপুড়েদের প্রত্যেকেই এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক। আলাদীনের চেরাগের মতো তাদের হাতে রয়েছে ‘মাদকের চেরাগ’। মাদক বিক্রি করেই অল্প সময়ে গড়েছেন সম্পদের পাহাড়। সাভার, ধামরাই ও সিলেটে মূল্যবান জমি, একাধিক বাড়ি, ফ্ল্যাট ও গোডাউন রয়েছে তাদের। যুগান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য।

স্থানীয়রা জানান, বেদেপল্লির রুস্তম, আরিফ, ফরিদা, রাশেদ, শাকিল, বুলবুল, সেলিম, লস্কর ও আফছারের সংসার চলত সাপের খেলা দেখিয়ে। প্রতিদিন সকালে সাপের বাক্স নিয়ে বের হতেন। দিনশেষে যা জুটত তা দিয়ে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাতেন। কিন্তু হঠাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানে তারা প্রত্যেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে যান। অথচ তাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। মাদক বিক্রি করেই তারা এত সম্পদ গড়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জনপ্রতিনিধি যুগান্তরকে বলেন, পরিবারের দুঃখ দূর করতে তারা মাদক বিক্রির পথ বেছে নেয়। প্রথমে অল্প মাদক নিয়ে কারবার শুরু করে। ব্যবসা ব্যাপক লাভজনক হওয়ায় তারা আস্তে আস্তে ব্যবসায় পরিসর বাড়াতে থাকে। একপর্যায়ে তারা অন্য বেদেদের নিয়ে দলবেঁধে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, কোকেন, ক্রিস্টাল মেথ ও আইস নামের ভয়ংকর মাদক এনে বেদেপল্লিতে পাইকারি দরে বিক্রি শুরু করে। যার ফলে তারা অল্প সময়ে কোটি টাকা আয় করে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রুস্তম মিয়া সাভারের বেদেপল্লির মৃত মকবুল মিয়ার ছেলে। মাদকের কারবার করে তিনি কয়েক বছরে সাড়ে ৮ কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন। সাভার পৌর এলাকার অমরপুর মৌজায় ২২৮, ২২৯ ও ২৩০নং দাগে ৩০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। সেখানে ৩৫টি কক্ষ নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। একই মৌজায় ১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে মার্কেট নির্মাণ করেছেন। মার্কেটে অন্তত ৮ থেকে ১০টি দোকান রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য পৌনে ২ কোটি টাকা। এছাড়া অমরপুর মৌজায় আর এস ৪৫.৪৬ ও ৫৯ দাগে ২৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। সিন্দুরিয়া মৌজায় আর এস ৫৩১ নং দাগে ৩২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য প্রায় কোটি টাকা। ধামরাই বড়কুশিয়ারা মৌজায় কাজিয়ার কুন্ডু মহল্লায় আরএস ৮২৩ ও ৮২৮ নং দাগে ৬০ শতাংশ জমি ক্রয় করে। যার মূল্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। বেদেপল্লির ফৈজুদ্দিনের মেয়ে ফরিদা। তিনি ক্রয় করেছেন প্রায় সোয়া ১০ কোটি টাকার সম্পদ। কাঞ্চনপুর মৌজায় আয়াত আলি মিস্ত্রির বাড়ির পাশে আর এস ৫.৬ ও ৭ নং দাগে জমি ক্রয় করেন ৮০ শতাংশ, যার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। কাঞ্চনপুর ও খঞ্জনকাঠি মৌজায় আর এস ১৫ ও ১৬ নং দাগে ১৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বক্তারপুর কোটবাড়ি মৌজায় এমারত সাহেবের বাড়ির পাশে ২৬ শতাংশ জমি কিনে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন তিনি।

একই এলাকার মৃত শাজিদ আলির ছেলে বরজু মিয়া ও তার ভাই লস্কর মাতব্বর মাদক ব্যবসা করে কাঞ্চনপুর মৌজায় আরএস ৯৮. ১২৩. ১২৪. ১৭৭ ও ১৭৮নং দাগে ১১টি স্থানে ১২২ শতাংশ জমি কিনেছেন। এসব জায়গায় তারা ১৬টি বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকের ডিলার লস্কর মাতব্বর, শাকিল ও বুলবুল একই রকম তথ্য দিয়ে যুগান্তরকে বলেন, আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সাপের খেলা দেখিয়ে জীবনযাপন করি। আমাদের বিরুদ্ধে যে মাদক কারবারের অভিযোগ এসেছে তা আদৌ সত্য নয়। তবে বেদে সম্প্রদায়ের কিছু লোক মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্পদের বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, এসব সম্পদ আমাদের নয়, এগুলো পরিবারের সদস্যের নামে রয়েছে। এদিকে লস্কর মাতব্বর, শাকিল ও বুলবুলের সঙ্গে কথা বলার খবর পেয়ে অভিযুক্ত অন্যরা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

জানতে চাইলে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার আহম্মদ মুঈদ যুগান্তরকে বলেন, কিছুদিন আগেও আমরা বেদে সম্প্রদায়ের কয়েকজন লোককে মাদকসহ গ্রেফতার করেছি। সাভারের বেদেপল্লি মাদকমুক্ত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মন্তব্য / প্রেরক

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও নাগরিক দূর্ভোগ নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান
ফটোঃ প্রতিনিধি

বিরামপুরকে জেলা বাস্তাবায়ন ও প্রথম শ্রেণির বিরামপুর পৌর নাগরিকদের দূর্ভোগ নিরসন ও শহরের শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবিতে সোমবার ২ নভেম্বর দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সরকার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুনের নিকট এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন, বিরামপুর পেশাজীবি ঐক্য ফ্রন্টের সদস্য সচিব ও বিরামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক মানিক, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোজাম্মেল হক, সাবেক ভিপি গোলাম মোর্শেদ সৈকত, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন সরকার, মোবারক আলী, ফরিদ হোসেন, মানিক চৌধুরী, মাজহারুল ইসলাম তানিম।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বিরামপুর শহরের উভয় পাশে এবং ঢাকামোড়ে অটোরিক্সা, মিশুক, টেম্পু, ভ্যান ও বাসের অবৈধ স্ট্যান্ড অপসারণ, যানজট নিরসন, অটোরিক্সার ভাড়া নির্ধারণ, শব্দ দুষন নিয়ন্ত্রণ, সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করণ, ট্রাফিক পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, এবং সপ্তাহে দু’দিন পৌর কার্যালয়ে প্রশাসকের কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানানো হয়।
দাবির প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোছাঃ তানজিনা খাতুন বলেন, অচিরেই ঢাকামোড় ও হাসপাতাল মোড় সড়কের শৃঙ্খলা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত

নীলফামারীর ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা, শনিবার আখেরি মোনাজাত
নীলফামারীর দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে জেলা ইজতেমায় জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তরের জেলা নীলফামারীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে জুমার নামাজ আদায় করতে সমবেত হন লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

জেলার সৈয়দপুর-নীলফামারী মহাসড়কসংলগ্ন দারোয়ানি টেক্সটাইল মাঠে আয়োজিত এ ইজতেমায় নীলফামারী ছাড়াও ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। জুমার নামাজে মুসল্লিদের উপস্থিতি মূল মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

 

আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

এবারের ইজতেমায় বিদেশি মুসল্লিদেরও অংশগ্রহণ রয়েছে। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এতে অংশ নিয়েছেন।

ইজতেমায় দ্বীনের দাওয়াত, মানবকল্যাণ, ধর্মীয় জীবনযাপন এবং আখিরাতের প্রস্তুতি বিষয়ে বয়ান পেশ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সাদাপোশাকের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মুসল্লিদের সার্বিক সহযোগিতায় স্বেচ্ছাসেবকেরা কাজ করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

 

শনিবার আখেরি মোনাজাত

আয়োজকদের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ জেলা ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, ঐক্য, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য / প্রেরক

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

নবাবগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
ফটোঃ প্রতিনিধি

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিধান কান্তি হালদার।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

এ মাসিক সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফ উদ্দিন, নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শুভ্রত্ব কুমার চক্রবর্তী, উপজেলা প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক কুমার বণিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক ও সাংবাদিকরা।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইন জুয়া,
মাদক, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ নানা সামাজিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। মাসিক সভায় বক্তারা উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য / প্রেরক

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, ঘোড়াঘাটে যুবদলের ৫ শতাধিক তালবীজ রোপণ
ফটো: প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা নিয়ে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা যুবদল। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে উপজেলার ২ নম্বর পালশা ইউনিয়নের পশ্চিম পালশা সড়কের পাশে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং প্রকৃতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব এমন উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তালগাছ প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বজ্রপাতের ঝুঁকি মোকাবিলায় তালগাছের সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়েও জনসচেতনতা রয়েছে। সড়কের পাশে রোপণ করা এসব তালবীজ যথাযথ পরিচর্যায় বেড়ে উঠলে ভবিষ্যতে এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা আয়োজকদের।

ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মোফাজ্জল হোসেন প্রধান বলেন, ‘যুবসমাজ দেশের শক্তি। দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই যুবদলের অন্যতম অঙ্গীকার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পশ্চিম পালশা সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাই। আমরা চাই, এ উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ হোক।’

উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জহরুল ইসলাম শান্ত বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইনি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সড়কে পাঁচ শতাধিক তালবীজ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা বিশ্বাস করি, গাছ লাগানো শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা বাবলু মিয়া, মাসুদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি
জোবায়ের হোসেন এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতা সাইদুল এরশাদসহ যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

মন্তব্য / প্রেরক

সাথে সংযুক্ত থাকুন

নিউজলেটার

নিউজলেটার বিবরণ

আর্কাইভ

please_select_a_date